রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে ড্রেন নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ  

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পুনট্টি ইউনিয়নের হরনন্দপুর গ্রামে আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ।

জানা গেছে, উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের হরনন্দপুর গ্রামের হরনন্দপুর মোড়ের উত্তর পাশে মুরগির ফার্মের নিকট আরসিসি ড্রেন নির্মাণ অনুমোদিত হয়। ৩৭ মিটার আরসিসি ড্রেনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের সভাপতি পুনট্টি ইউপি সদস্য মেহের বানু কাজটি নিজেই করেন। সিডিউল অনুযায়ী ড্রেন নির্মাণ কাজে ১০ মিলি রড দেয়ার কথা। কিন্তু ১০ মিলি রডের স্থলে ৮ মিলি রড দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়। এক পর্যায়ে ড্রেন নির্মাণ কাজে ৮ মিলি রড ব্যবহার করার বিষয়টি এলাকাবাসীর মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলামকে অবহিত করেন। তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলাম প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য মেহের বানুকে ৮ মিলি রড সরিয়ে ফেলে ১০ মিলি রড দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।

প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মেহের বানুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ড্রেন নির্মাণ কাজে ৮ মিলি রড দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলাম গত ১৬ মে শনিবার সরজমিন তদন্ত করেন। তিনি বলেন, শিডিউলের নির্ধারিত অনুপাতের বাইরে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এরপর যদি কাজে অনিয়ম ধরা পড়ে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে ড্রেন নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ  

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পুনট্টি ইউনিয়নের হরনন্দপুর গ্রামে আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ।

জানা গেছে, উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়নের হরনন্দপুর গ্রামের হরনন্দপুর মোড়ের উত্তর পাশে মুরগির ফার্মের নিকট আরসিসি ড্রেন নির্মাণ অনুমোদিত হয়। ৩৭ মিটার আরসিসি ড্রেনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৪ লাখ ৮ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের সভাপতি পুনট্টি ইউপি সদস্য মেহের বানু কাজটি নিজেই করেন। সিডিউল অনুযায়ী ড্রেন নির্মাণ কাজে ১০ মিলি রড দেয়ার কথা। কিন্তু ১০ মিলি রডের স্থলে ৮ মিলি রড দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়। এক পর্যায়ে ড্রেন নির্মাণ কাজে ৮ মিলি রড ব্যবহার করার বিষয়টি এলাকাবাসীর মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলামকে অবহিত করেন। তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলাম প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য মেহের বানুকে ৮ মিলি রড সরিয়ে ফেলে ১০ মিলি রড দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী।

প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মেহের বানুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি ড্রেন নির্মাণ কাজে ৮ মিলি রড দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিউল ইসলাম গত ১৬ মে শনিবার সরজমিন তদন্ত করেন। তিনি বলেন, শিডিউলের নির্ধারিত অনুপাতের বাইরে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এরপর যদি কাজে অনিয়ম ধরা পড়ে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।