মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাঁটু পানি ভেঙে ত্রাণের খোঁজে ওরা!

নদী বেষ্টিত গাইবান্ধার ৪ উপজেলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে বন্যা। এর প্রভাবে পানিবন্দী হয়েছে সহস্রাধিক মানুষ। এসব মনুষদের মধ্যে নিম্ন আয়ের পরিবারেরা পড়েছে খাদ্যাভাবে। এরই মধ্যে পেটের ক্ষুধা নিবারণের চেষ্টায় হাঁটু পানি ভেঙে ত্রাণের খোঁজে ছুটছে তারা।

বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকেলে ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গলনার চরে দেখা যায় পানিতে নেমে ত্রাণের সন্ধানে ছুটে চলা মানুষের জীবনচিত্র।

এসময় কথা হয় কাজিম উদ্দিন ব্যাপারী নামের এক বন্যার্তের সঙ্গে। তিনি জানান, একদিন শ্রম বিক্রি না করলে পেট চলে না। এরই মধ্যে বানের পানি ঢুকেছে ঘরবাড়িতে। ফলে বন্ধ হয়েছে কাজকর্ম। পড়েছেন খাদ্য সংকটে। গজারিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাহেব ত্রাণ দেবেন, এমন খবর জেনে, সেটি সংগ্রহের আশায় পানি ভেঙে ছুটছিলেন তিনি। শুধু কাজিম উদ্দিনই নয়, একই এলাকার আরো বেশ কিছু ভুক্তভোগি নারী-পুরুষ হাঁটু পানি বেয়ে খাবারে খোঁজে ছুটে চলেছিলেন।

এরপর গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে গলনার চরে বন্যার্তদের মাঝে দেওয়া হয় ১০ কেজি করে চাল। এসময় ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান দোলন, উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহম্মেদ ও ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল আলম উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্যা দুর্গত ৫০টি পরিবারের প্রত্যেককে দেন ১০ কেজি করে চাল। তবে এটি ছিল চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে বন্যার আঘাত হেনেছে। দুর্গত মানুষদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। সেগুলো বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

হাঁটু পানি ভেঙে ত্রাণের খোঁজে ওরা!

প্রকাশের সময়: ০৫:১৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১

নদী বেষ্টিত গাইবান্ধার ৪ উপজেলার নদীর তীরবর্তী এলাকায় দেখা দিয়েছে বন্যা। এর প্রভাবে পানিবন্দী হয়েছে সহস্রাধিক মানুষ। এসব মনুষদের মধ্যে নিম্ন আয়ের পরিবারেরা পড়েছে খাদ্যাভাবে। এরই মধ্যে পেটের ক্ষুধা নিবারণের চেষ্টায় হাঁটু পানি ভেঙে ত্রাণের খোঁজে ছুটছে তারা।

বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকেলে ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গলনার চরে দেখা যায় পানিতে নেমে ত্রাণের সন্ধানে ছুটে চলা মানুষের জীবনচিত্র।

এসময় কথা হয় কাজিম উদ্দিন ব্যাপারী নামের এক বন্যার্তের সঙ্গে। তিনি জানান, একদিন শ্রম বিক্রি না করলে পেট চলে না। এরই মধ্যে বানের পানি ঢুকেছে ঘরবাড়িতে। ফলে বন্ধ হয়েছে কাজকর্ম। পড়েছেন খাদ্য সংকটে। গজারিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাহেব ত্রাণ দেবেন, এমন খবর জেনে, সেটি সংগ্রহের আশায় পানি ভেঙে ছুটছিলেন তিনি। শুধু কাজিম উদ্দিনই নয়, একই এলাকার আরো বেশ কিছু ভুক্তভোগি নারী-পুরুষ হাঁটু পানি বেয়ে খাবারে খোঁজে ছুটে চলেছিলেন।

এরপর গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে গলনার চরে বন্যার্তদের মাঝে দেওয়া হয় ১০ কেজি করে চাল। এসময় ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান দোলন, উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ আহম্মেদ ও ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল আলম উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্যা দুর্গত ৫০টি পরিবারের প্রত্যেককে দেন ১০ কেজি করে চাল। তবে এটি ছিল চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল।

ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে বন্যার আঘাত হেনেছে। দুর্গত মানুষদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। সেগুলো বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।