একঝাঁক শিক্ষিত তরুণ-তরুণী। তাদের মাথায় ক্যাপ, মুখে মাস্ক আর হাতে রয়েছে ঝাড়ু। দলবেঁধে ঘুরছিলেন গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন স্থানে। এ শহরের পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিস্কারের কাজে ব্যস্ত ছিলেন তারা।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) জুম বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে ওইসব তরুণ-তরুণীরা গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পশ্চিম প্বার্শের তেলের পাম্প থেকে এসপি অফিস ও তার আশপাশের এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ করছিলেন। এ সময় মাস্কও বিতরণ করছিলেন তারা।
এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন মো. মেহেদী হাসান, এনটি সম্মরণ, পান্না ভট্টাচার্য্য, সানজিদা সানজি, মেহেদি হাসান অন্তর, জুয়েল সরকার, শারমিন খাতুন, শারমিন সুলতানা, নাজমুল হুদা, তানান হাসানসহ আরো অনেকে।
এসময় তারা জানান, সমাজে ভালো কাজের অভ্যাস করতে গেলে প্রথমে কাউকে না কাউকে তা শুরু করতে হয়। তেমনিভাবে আমাদের গাইবান্ধা শহর আমাদের পরিবেশ সুন্দর ও পরিছন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের। কিন্তু আমরা যেন জেগে জেগে ঘুমায়। এই ঘুমকে ভাঙানোর জন্য জুম বাংলাদেশ গাইবান্ধা টিম পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরপর আমরা শুরু করি শহর ও পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ। আমরা শুধু এই কাজই নয়, ভবিষ্যতে আমরা আরও অনেক সামাজিক ও মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।
জুম বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলা শাখার সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান জাগো২৪.নেট-কে জানান, আমরা পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে সাধারণ মানুষদের কাছে যেয়ে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলার পরামর্শ দেই। ওই কাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষদের সচেতন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
তিনি আরো বলেন, জুম বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ইভেন্টের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে পেরে তারা নিজেরাও উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 









