কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের সরদার পাড়া গ্রামের মহসিনা বেগম (৫০) নামের এক গৃহবধূ তার ছেলে আজিজুল হক মাসুদের (২১) পিটুনি খেয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে জখমী যণ্ত্রণায় হাসপাতাল বিছানায় ছটফট করছে মহসিনা।
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভুক্তভোগি মহসিনা বেগম জানান, গত মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তার ছোট ছেলে মাসুদ শ্বশুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফিরে তার ঘর থেকে ৩ হাজার টাকা হারানোর কথা জানায়। টাকা চুরি হওয়ার দাবি করে এজন্য তার মা মহসিনা বেগমকে দায়ী করে মাসুদ। এসময় তার মা কোনও টাকা চুরি করেনি দাবি করলে মা-ছেলের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাত ১১ টার দিকে মাসুদ গাছের ডাল দিয়ে তার মা মহসিনা বেগমকে বেদম পেটাতে শুরু করে। পরে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে মহসিনা বেগমকে উদ্ধার করে। ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর মহসিনা বেগমের শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হলে পরের দিন (বৃহস্পতিবার) তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।
মহসিনা বেগম অভিযোগ করেন, বিষয়টি তার স্বামীকে (মাসুদের বাবাকে) জানানো হলে তার স্বামী মাসুদকে ইন্ধন দিয়ে তার মাকে আঘাত করাকে ঠিক কাজ করেছে বলে উল্লেখ করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মহসিনা বেগমের শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান ওই ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স দুলালী খাতুন।
তিনি আরও জানান, আঘাতের স্থানে রক্ত জমাট বেধে কালো হয়েছে। আগামী শনিবার নাগাদ তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে।
অভিযুক্ত আজিজুল হক মাসুদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার মাকে পেটানোর অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, রাগের মাথায় কয়েকটা মার দিয়েছি। তবে আমার মা নিজ ইচ্ছায় হাসপাতালে ভর্তি হননি।মাকে মেরে ভুল করেছেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে আব্দুল জলিল জানান, আমি বাড়িতে ছিলাম না। এসে শুনি আমার স্ত্রী পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, কুড়িগ্রাম 


















