সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাওয়াই মিঠাইয়ে সংসার চলে হাবিবের

তোফায়েল হোসেন জাকিরঃ লাঠির মাথায় ঝুলানো বাক্স। স্বচ্ছ এ কাচের বাক্সে রয়েছে হাওয়াই মিঠাই। এ নিয়ে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে চলেন হাবিব মিয়া নামের এক ব্যক্তি। হাতঢোলের শব্দে নজরকাড়ে কিশোরদের। এভাবে বিক্রি করা হয় হাওয়াই মিঠাই। এ দিয়ে সংসার চলে হাবিবের।

গাইবান্ধার সদর উপজেলার বল্লমঝাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিব মিয়া। শনিবার ( ৮ জানুয়ারি) পার্শ্ববর্তী কুপতলা গ্রামে দেখা হয় তার। এসময় হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছিলেন তিনি।

জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী হাওয়াই মিঠাই দেখতে যেমন অতুলনী  গোল গোল। তেমনী মিষ্ট স্বাদের স্বপ্নিল ছোঁয়ায় নিমিষে মিলিয়ে যায়। সেই সঙ্গে এই মিঠাই দেখতে অত্যান্ত আকর্ষণীয়। তুলোর মতো তুলতুলে গোলাপী রঙ্গের হাওয়াই মিঠাই এখন কালেরগর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় গ্রামাঞ্চলে শিশু-কিশোরিদের হাওয়াই মিঠায়ের কদর ছিল অনেকটাই।

অতিদরিদ্র পরিবারের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে হাবিব মিয়া। প্রায় ৩ যুগ ধরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। অন্য পেশায় আরও লাভজনক হলেও তবুও ছাড়ছে মিঠাই বিক্রির কাজ। গ্রামীণ ঐতিহ্যকে আকড়ে  ধরে এ কাজটি করে চলেছন তিনি।

হাবিব মিয়া জাগো২৪.নেট-কে জানান, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ৫ সদস্যের সংসার তার। একমাত্র পেশা হাওয়াই মিঠাই বিক্রি। বাড়িতে ছোট একটি মেশিনে চিনি দিয়ে এই মিঠাই তৈরী করে থাকেন। এর পর সকাল হলে গ্রামাঞ্চলে হেঁটে চলেন মিঠাই বিক্রি করতে।

তিনি আরও বলেন, হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে খরচ বাদে দৈনন্দিন ৩০০ টাকা লাভ থাকে। এ ‍দিয়ে কোনমত সংসার চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মজিবুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হাবিব মিয়া হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে চলেছেন। আবহমান গ্রামবাংলার এই অতিহ্য শৈশবের মতোই জ্বলজ্বল করে বেঁচে থাক।

হাওয়াই মিঠাইয়ে সংসার চলে হাবিবের

প্রকাশের সময়: ০২:৫০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২২

তোফায়েল হোসেন জাকিরঃ লাঠির মাথায় ঝুলানো বাক্স। স্বচ্ছ এ কাচের বাক্সে রয়েছে হাওয়াই মিঠাই। এ নিয়ে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে চলেন হাবিব মিয়া নামের এক ব্যক্তি। হাতঢোলের শব্দে নজরকাড়ে কিশোরদের। এভাবে বিক্রি করা হয় হাওয়াই মিঠাই। এ দিয়ে সংসার চলে হাবিবের।

গাইবান্ধার সদর উপজেলার বল্লমঝাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিব মিয়া। শনিবার ( ৮ জানুয়ারি) পার্শ্ববর্তী কুপতলা গ্রামে দেখা হয় তার। এসময় হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছিলেন তিনি।

জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী হাওয়াই মিঠাই দেখতে যেমন অতুলনী  গোল গোল। তেমনী মিষ্ট স্বাদের স্বপ্নিল ছোঁয়ায় নিমিষে মিলিয়ে যায়। সেই সঙ্গে এই মিঠাই দেখতে অত্যান্ত আকর্ষণীয়। তুলোর মতো তুলতুলে গোলাপী রঙ্গের হাওয়াই মিঠাই এখন কালেরগর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় গ্রামাঞ্চলে শিশু-কিশোরিদের হাওয়াই মিঠায়ের কদর ছিল অনেকটাই।

অতিদরিদ্র পরিবারের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে হাবিব মিয়া। প্রায় ৩ যুগ ধরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। অন্য পেশায় আরও লাভজনক হলেও তবুও ছাড়ছে মিঠাই বিক্রির কাজ। গ্রামীণ ঐতিহ্যকে আকড়ে  ধরে এ কাজটি করে চলেছন তিনি।

হাবিব মিয়া জাগো২৪.নেট-কে জানান, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ৫ সদস্যের সংসার তার। একমাত্র পেশা হাওয়াই মিঠাই বিক্রি। বাড়িতে ছোট একটি মেশিনে চিনি দিয়ে এই মিঠাই তৈরী করে থাকেন। এর পর সকাল হলে গ্রামাঞ্চলে হেঁটে চলেন মিঠাই বিক্রি করতে।

তিনি আরও বলেন, হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে খরচ বাদে দৈনন্দিন ৩০০ টাকা লাভ থাকে। এ ‍দিয়ে কোনমত সংসার চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক মজিবুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হাবিব মিয়া হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে চলেছেন। আবহমান গ্রামবাংলার এই অতিহ্য শৈশবের মতোই জ্বলজ্বল করে বেঁচে থাক।