শিরোনাম দেখে অবাক হওয়ার কিছু নাই। রাস্তায় বাহির হলেই চার পাশে চোখ আটকে যায়, বাহারী রং ডিজাইনের বাহারি সব প্রতিষ্ঠানের নাম। বলা চলে আধুনিক যুগে বাহারি আকর্ষনীয় নামকরণের এক অপ্রকাশিত প্রতিযোগিতা চলমান আছে।
বাহারি নামকরণের এই যুগে এক অদ্ভুত ভিন্ন ধরনের নামের এক হোটেলের দেখা মিলেছে সিরাজগন্জের শাহজাদপুরে। এক হোটেল ব্যবসায়ী তার খাবার হোটেলের নাম রাখে “ব্যাকায়দা হোটেল”। বগুড়া নগরবাড়ি মহাসড়কের পাশে শাহজাদপুর দিলরুবা বাসস্ট্যান্ডের কয়েক শ গজ দক্ষিনে ব্যাকায়দা হোটেলের অবস্থান। সাধারন জনসমাগম এলাকায় খাবার হোটেল দেখা যায়। কিন্ত সম্পুর্ন আলাদা এক প্রকার ফাঁকা এলাকায় খাবার হোটেল দিয়ে তার নাম রেখেছে ব্যাকায়দা হোটেল’ নাম দিয়েছ মোঃ নবীর মন্ডল।
প্রায় চার বছর আগে এখানে হোটেল দিয়ে ব্যবসা করে আসছে তিনি। এখানে ভাত, মাছ, গরু, মুরগির মাংস, খিচুরী ও রুটি পাওয়া যায়। ব্যাকায়দা জায়গায় (ফাঁকা জায়গা) হোটেল হলেও নামের ভিন্নতায় পরিচিত লাভে ভোজনরসিক লোকের সমাগম হয় এখানে।
শাহজাদপুর পৌর নিকাহ্ রেজিস্ট্রার (কাজি) মোঃ শামসুদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, বিটিভিতে প্রচারিত ইত্যাদি অনুষ্ঠানে এই ব্যাকায়দা হোটেলের কথা প্রচার হয়েছিলো, তখন থেকে ব্যাকায়দা হোটেলের নাম জানি। তিনি জানান, আধুনিক যুগে এই হোটেলের নাম সত্যি অবাক করার বিষয়। কথা হয় ব্যাকায়দা হোটেল মালিক মো. নবীর মন্ডলের সাথে সাংবাদিক পরিচয় দিলে প্রথমে ভয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি। পরে কথা বলতে রাজি হলে ভয়ের কারন হিসেবে তিনি জানান, এর আগে পেপারে প্রত্রিকায় তার দোকানের ছবি ছাপা হয়েছিলো কিছু না বুঝে ভয়ে তিন দিন হোটেল বন্ধ রেখেছিল। এসময় তিনি জানান, প্রতিদিন যা বিক্রি হয় তা থেকে যা আয় হয় তাই দিয়ে সংসার চলে বলে জানিয়েছেন। ভিন্ন ধরনের এই নামকরনের বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ নবীর মন্ডল জানান, ব্যাকায়দা জায়গায় হোটেল দেওয়ার জন্য নাম রাখা হয়েছে ব্যকায়দা হোটেল’ নামের ভিন্নতার কারনেই শাহজাদপুরে পরিচিতি লাভ করেছে ব্যাকায়দা হোটেল।

সেলিম রেজা, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, সিরাজগঞ্জ 



















