রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গাইবান্ধায় পাকা ঘর পাচ্ছেন ৮৪৬ পরিবার

“আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” এ শ্লোগানকে ধারণ করে গাইবান্ধা জেলার ৭ টি উপজেলার ৮৪৬ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পাচ্ছেন সরকারের দেওয়া পাকা ঘর। ইতোমধ্যে এসব ঘর নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সাঘাটা উপজেলায় ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য ঘরের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, মুজিববর্ষে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশে উপকারভোগিদের মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১০৫, সাদুল্লাপুরে ১৭৯, পলাশবাড়ীতে ৬০, সুন্দরগঞ্জে ২৭২, গোবিন্দগঞ্জে ১২০, ফুলছড়িতে ৭৫ ও সাঘাটা উপজেলায় ৩৫ পরিবারসহ জেলায় সর্বমোট ঘর পাচ্ছেন ৮৪৬ পরিবারের মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এর অধীনে গাইবান্ধার ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের জন্য এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভূমিহীন-গৃহহীনদের বরাদ্দকৃত নির্মাণাধীন ঘরগুলো তদারকি করছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

উপকারভোগি জমিলা বেওয়া বলেন, দীর্ঘদিন অন্যের জমিতে ছাপড়া ঘর তুলে রাতযাপন করছিলাম।সারাদিন কাজ-কর্ম করে ঝড়-বাতাশের ভয়ে ভাঙা ঘরে ঠিকভাবে ঘুমাতে পারতাম না। এখন সরকারের পাকা ঘর পাব, সেটা কোনদিন ভাবতে পারিনি। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসানর জন্য প্রাণভরে দোয়া করছি।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘরগুলো দ্রুত নির্মাণ কাজ চলছে। হয়তো জানুয়ারি মাসের মধ্যে তাদেরকে হস্তান্ত করা যেতে পারে।

 

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গাইবান্ধায় পাকা ঘর পাচ্ছেন ৮৪৬ পরিবার

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০

“আশ্রয়নের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার” এ শ্লোগানকে ধারণ করে গাইবান্ধা জেলার ৭ টি উপজেলার ৮৪৬ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পাচ্ছেন সরকারের দেওয়া পাকা ঘর। ইতোমধ্যে এসব ঘর নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সাঘাটা উপজেলায় ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য ঘরের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন। এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, মুজিববর্ষে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন নির্দেশে উপকারভোগিদের মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১০৫, সাদুল্লাপুরে ১৭৯, পলাশবাড়ীতে ৬০, সুন্দরগঞ্জে ২৭২, গোবিন্দগঞ্জে ১২০, ফুলছড়িতে ৭৫ ও সাঘাটা উপজেলায় ৩৫ পরিবারসহ জেলায় সর্বমোট ঘর পাচ্ছেন ৮৪৬ পরিবারের মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এর অধীনে গাইবান্ধার ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের জন্য এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ভূমিহীন-গৃহহীনদের বরাদ্দকৃত নির্মাণাধীন ঘরগুলো তদারকি করছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

উপকারভোগি জমিলা বেওয়া বলেন, দীর্ঘদিন অন্যের জমিতে ছাপড়া ঘর তুলে রাতযাপন করছিলাম।সারাদিন কাজ-কর্ম করে ঝড়-বাতাশের ভয়ে ভাঙা ঘরে ঠিকভাবে ঘুমাতে পারতাম না। এখন সরকারের পাকা ঘর পাব, সেটা কোনদিন ভাবতে পারিনি। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসানর জন্য প্রাণভরে দোয়া করছি।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন জাগো২৪.নেট-কে বলেন, ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘরগুলো দ্রুত নির্মাণ কাজ চলছে। হয়তো জানুয়ারি মাসের মধ্যে তাদেরকে হস্তান্ত করা যেতে পারে।