গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জান্নাতুল নাইম জীম নামের এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী আবুবক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে।
গতকাল সোমবার (২১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম খামার দশলিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। শিক্ষার্থী জীম উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান নুর আলম নান্টুর ছেলে। সে ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তোজনা বিরাজ করতে থাকে। পরে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
ঘটনার বিষয়ে নির্যাতনের শিকার জীমের পিতা নুর আলম নান্টু বলেন, বিগত ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারসহ অন্যান্য শিক্ষক কর্মচারীদের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে স্কুলে বেঞ্চ ভাঙ্গার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের নির্দেশে ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী আবু বক্কর সিদ্দিক আমার ছেলেকে পিটাতে পিটাতে স্কুল থেকে বের করে দেয় এবং অকথ্য ভাষায় বকাঝকা করে বলে তুই আর কখনো স্কুলে ঢুকতে পারবিনা। এ বিষয়টি জীম বাড়িতে এসে ঘটনাটি আমাদের সবাইকে জানায়। ঘটনাটি জানার জন্য আমার স্ত্রী ও দুই ছেলে বিদ্যালয়ে যায়। এসময় অফিস সহকারী সিদ্দিক ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের উপরেও হামলার চেষ্টা চালায়। অবস্থার বেগতিক দেখে তারা দৌঁড়ে পালিয়ে আত্নরক্ষা করে।
ভুক্তভোগি শিক্ষার্থী জীম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন,কে কারা বেঞ্চ ভাঙে তা আমি জানিনা। সেই দোষ আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে সিদ্দিক স্যার অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে চড় থাপ্পড় মেরে আমাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এ বিষয়ে অফিস সহকারী আবু বক্কর সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে না পাওয়ায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, বিদ্যালয়ের ৩ টি বেঞ্চ ভাঙায় দুই একটা হয়তো চড় থাপ্পর দিয়েছে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এইচ,এম মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। তবে অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 




















