রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে তরুণ-তরুণী আটক

ইপিজেড কর্মী মৌসুমি নামে এক তরুনী পার্শ্ববর্তী এলাকার তরুণ চন্দ্র কিশোর রায়কে (২০) মোবাইল ফোনে বন্ধুর পরিচয়ে ডেকে আনে। হরতকীতলা বাজার নামক স্থানে। মৌসুমির কিছু কাছের দুস্কৃকারী লোকজন চন্দ্র কিশোর রায়কে দেখা পেয়ে মারধর ও গুরুতর আহত করে একটি অপরিচিত অটোরিকশায় করে জোরপূর্বক মৌসুমির বাড়িতে তুলে নিয়ে জায়।

এ খবর বাজারের লোকজন চন্দ্র কিশোর রায়ের পিতাকে জানান, বিষয়টি পিতা নারায়ণ চন্দ্র রায় কিছু বুঝতে না পেরে ইউ’পি সদস্যকে অবগত করেন। ইউ’পি সদস্য মতিন্দ্র নাথ রায় বিষয়টি যাচাই বাচাই করেন। ইউ’পি সদস্যের কথা তোয়াক্কা না করেই মৌসুমির পিতা লক্ষীচাপ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের নৃরসিংহ গ্রামের বাসিন্দা দুলাল চন্দ্র রায় তড়িঘড়ি করে এবং একই এলাকার উৎপল, তপনসহ আরো কয়েকজন মিলে ব্রাহ্মম ডেকে আনে। চন্দ্র কিশোর রায় বিয়াতে রাজি না হওয়ায় শারিরিক নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিয়েতে রাজি করাতে বাধ্য করেন।

এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করেছে। অন্যদিকে চন্দ্র কিশোর রায়ের পিতা নারায়ণ চন্দ্র বলেন,আমি আমার অবরুদ্ধ ছেলেকে ফিরে পেতে চাই ঘটনাটি সম্পুর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত। মুঠোফোনে সাংবাদিক পলাশবাড়ী ও লক্ষীচাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন দুই পক্ষেরই কেউই আমাদেরকে বিষয়টি অবগত করেননি।

নীলফামারীতে তরুণ-তরুণী আটক

প্রকাশের সময়: ০৫:৪১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২

ইপিজেড কর্মী মৌসুমি নামে এক তরুনী পার্শ্ববর্তী এলাকার তরুণ চন্দ্র কিশোর রায়কে (২০) মোবাইল ফোনে বন্ধুর পরিচয়ে ডেকে আনে। হরতকীতলা বাজার নামক স্থানে। মৌসুমির কিছু কাছের দুস্কৃকারী লোকজন চন্দ্র কিশোর রায়কে দেখা পেয়ে মারধর ও গুরুতর আহত করে একটি অপরিচিত অটোরিকশায় করে জোরপূর্বক মৌসুমির বাড়িতে তুলে নিয়ে জায়।

এ খবর বাজারের লোকজন চন্দ্র কিশোর রায়ের পিতাকে জানান, বিষয়টি পিতা নারায়ণ চন্দ্র রায় কিছু বুঝতে না পেরে ইউ’পি সদস্যকে অবগত করেন। ইউ’পি সদস্য মতিন্দ্র নাথ রায় বিষয়টি যাচাই বাচাই করেন। ইউ’পি সদস্যের কথা তোয়াক্কা না করেই মৌসুমির পিতা লক্ষীচাপ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের নৃরসিংহ গ্রামের বাসিন্দা দুলাল চন্দ্র রায় তড়িঘড়ি করে এবং একই এলাকার উৎপল, তপনসহ আরো কয়েকজন মিলে ব্রাহ্মম ডেকে আনে। চন্দ্র কিশোর রায় বিয়াতে রাজি না হওয়ায় শারিরিক নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বিয়েতে রাজি করাতে বাধ্য করেন।

এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করেছে। অন্যদিকে চন্দ্র কিশোর রায়ের পিতা নারায়ণ চন্দ্র বলেন,আমি আমার অবরুদ্ধ ছেলেকে ফিরে পেতে চাই ঘটনাটি সম্পুর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত। মুঠোফোনে সাংবাদিক পলাশবাড়ী ও লক্ষীচাপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন দুই পক্ষেরই কেউই আমাদেরকে বিষয়টি অবগত করেননি।