সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপের হাট ছোট ছত্রগাছা গ্রামের গাছ কর্তন মামলার আসামিরা জামিনে এসে বাদীকে মামলা তুলে নেয়াসহ খুন জখমের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ কর্তনকৃত গাছ উদ্ধার না করায় আসামিরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এদিকে, আসামীদের ভয়ে বাদী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য যে,গত ১৮ ফেব্রয়ারি শুক্রবার বিকেলে আসামি সৈয়দ আলীর নেতৃত্বে মামলার এজাহারভুক্ত ১০ জন আসামিসহ অজ্ঞাত আরও ৯-১০ জন পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত ১১ শতক জমির মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ জোর র্পূবক র্কতন করতে থাকে।
খবর পেয়ে বাদী তার ছেলে,স্ত্রী ও পুত্রবধুকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা প্রদান দিলে আসামি সৈয়দ আলীর হুকুমে হামেদ আলী বাঁশের লাঠি দিয়ে বাদীকে এলোপাতারি মার-ডাং করে রক্তাক্ত যখম করে। বাদী মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চাপিয়ে ধরে। এ সময় বাদীর ছেলে মিঠু ছুটে এসে তাকেও এলোপাথারি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
আসামিরা বাদীর স্ত্রীর মাথার চুল ধরিয়া টানা হেঁচরাসহ বিবস্ত্র পুর্বক শ্লীলতাহানি ঘটায় এবং বাদীর পুত্রবধুর গলা থেকে র্স্বণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আসামিরা বাদীর গাছের বাগান থেকে মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৬ লাখ টাকার গাছ র্কতন করে নিয়ে যায়। কিন্তু পুলিশ র্কতনকৃত গাছ উদ্ধারে কোন ভূমিকা পালন করেনি। এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা রজু করা হয়।
মামলার তদন্তকারী র্কমর্কতা ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক বলেন, র্কতনকৃত গাছগুলি উদ্ধারে পুলিশী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে ।

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















