রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে সড়কের গাছ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুমতি  ছাড়াই সড়কের অর্ধ শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৩০ মার্চ) থেকে কাটা শুরু হয়েছে দামোদরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দামোদরপুর গ্রামের সন্টু বাবুর বাড়ির সামনে থেকে পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের কাঁচা সড়কের দুই ধারের অর্ধ শতাধিক ইউক্যালিপটাস গাছ। এসময় এইসব গাছ কাটা শুরু করা হলে স্থানীয গ্রামবাসী বাঁধা দেন।

পশ্চিম দামোদরপুর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সদস্য সামছুল মিয়া জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে পশ্চিম দামোদরপুর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে সড়কের দুই ধারে প্রায় ১৫০ ইউক্যালিপটাস জাতের গাছ লাগানো হয়। এর মধ্যে সম্প্রতি ৬৩টি গাছ বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া এরআগেও কিছু গাছ বিক্রি করা হয়েছে। যা সমিতির সদস্যদেরকে অবহিত করা হয় নাই।

গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সভাপতি নছির উদ্দিন জানান, সমিতির নিয়মিত সভায় এই গাছ কর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। তারপর দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নিকট অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। তিনি এই গাছ কাটার অনুমোদন দেন এবং গাছগুলো এক লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

স্থানীয় জনাব আলী বলেন, ওইসব গাছের মধ্যে অধিকাংশ গাছই আমার জমির পাশে। নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রির টাকার কিছু অংশ আমার পাওয়ার কথা। কিন্ত একটি টাকাও দেয়া হয়নি।

বুধবার দুপুরে গাছ কাটা শ্রমিক মাহবুব রহমান বলেন, একই ইউনিয়নের কান্তানগর বটেরতল গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া এইসব গাছ ক্রয় করেছেন। আমরা তার নির্দেশে গাছ কর্তন করছি। এখন পর্যন্ত ৪ টি গাছ কেটে সেলিম মিয়ার বাবা দুলাল সর্দারের করাতকলে রাখা হয়েছে।

কাঠ ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া জানান, এক লাখ ৮০ হাজার টাকায় তিনি এইসব গাছ কিনেছেন। এবং দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের অনুমতিক্রমে গাছ কাটা শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা: রোকসানা বেগম জানান, বিষয়টি তার জানা নাই। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে সড়কের গাছ

প্রকাশের সময়: ০৮:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুমতি  ছাড়াই সড়কের অর্ধ শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৩০ মার্চ) থেকে কাটা শুরু হয়েছে দামোদরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দামোদরপুর গ্রামের সন্টু বাবুর বাড়ির সামনে থেকে পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের কাঁচা সড়কের দুই ধারের অর্ধ শতাধিক ইউক্যালিপটাস গাছ। এসময় এইসব গাছ কাটা শুরু করা হলে স্থানীয গ্রামবাসী বাঁধা দেন।

পশ্চিম দামোদরপুর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সদস্য সামছুল মিয়া জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে পশ্চিম দামোদরপুর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে সড়কের দুই ধারে প্রায় ১৫০ ইউক্যালিপটাস জাতের গাছ লাগানো হয়। এর মধ্যে সম্প্রতি ৬৩টি গাছ বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া এরআগেও কিছু গাছ বিক্রি করা হয়েছে। যা সমিতির সদস্যদেরকে অবহিত করা হয় নাই।

গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির সভাপতি নছির উদ্দিন জানান, সমিতির নিয়মিত সভায় এই গাছ কর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। তারপর দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নিকট অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। তিনি এই গাছ কাটার অনুমোদন দেন এবং গাছগুলো এক লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

স্থানীয় জনাব আলী বলেন, ওইসব গাছের মধ্যে অধিকাংশ গাছই আমার জমির পাশে। নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রির টাকার কিছু অংশ আমার পাওয়ার কথা। কিন্ত একটি টাকাও দেয়া হয়নি।

বুধবার দুপুরে গাছ কাটা শ্রমিক মাহবুব রহমান বলেন, একই ইউনিয়নের কান্তানগর বটেরতল গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া এইসব গাছ ক্রয় করেছেন। আমরা তার নির্দেশে গাছ কর্তন করছি। এখন পর্যন্ত ৪ টি গাছ কেটে সেলিম মিয়ার বাবা দুলাল সর্দারের করাতকলে রাখা হয়েছে।

কাঠ ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া জানান, এক লাখ ৮০ হাজার টাকায় তিনি এইসব গাছ কিনেছেন। এবং দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের অনুমতিক্রমে গাছ কাটা শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা: রোকসানা বেগম জানান, বিষয়টি তার জানা নাই। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।