মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ভাতাভূক্ত হলেন সেই প্রতিবন্ধী  

শিকলে বাঁধা সুমনের কপালে জোটেনি ভাতা কার্ড শিরোনামে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জাগো২৪.নেট’ এ সংবাদ প্রকাশ হয়। এ সংবাদটি ডিসি-ইউএনও এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার নজরে পড়ে। সেটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিবন্ধী সুমনকে ভাতাভূক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ওই সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি অবগত হই। এরপর প্রতিবন্ধী সুমনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয় এবং তাকে ভাতাভূক্ত করা হয়েছে। যার পরিচিতি নং ০৩৩২০০৫০৮৭৩।

এদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলাবাসী জানিয়েছেন, এই উপজেলায় সমাজসেবা কর্মকর্তা মনিক চন্দ্র রায় যোগদানের পর থেকে প্রাতিষ্ঠানিক সকল সেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছাতে চেষ্টা করছেন। তিনি মাঠপর্যায়ে সঠিক উপকারভোগি নির্বাচন করে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চিকনী গ্রামে দিনমজুর আবু বক্কর সিদ্দিক ও ফাতেমা বেগমের ছেলে সুমন আকন্দ। এর বয়স যখন ৮, তখন থেকে হারিয়ে ফেলে মানসিক ভারসাম্য। এই সুমনের বয়স এখন ১৭ বছর। এ ছেলেকে সুস্থ করতে বিভিন্ন চিকিৎসকের চিকিৎসা নেওয়া হয়। কিন্তু কিছুতেই আরোগ্য হয়নি। এভাবেই দীর্ঘ ৯ বছর চিকিৎসা করানো হয় সুমনকে। এর ব্যয় বহন করতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এর ফলে সর্বস্বান্ত হয়েছে পরিবারটি। সুমনের মানসিক সমস্যা বেড়ে গেলে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করাসহ পরিবারের লোকজনকে মারধর করে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে কখনও ঘরে তালাবন্দি আবার কখনও পায়ে শিকল বেঁধে রাখতে হচ্ছে সুমনকে।

অবশেষে ভাতাভূক্ত হলেন সেই প্রতিবন্ধী  

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২

শিকলে বাঁধা সুমনের কপালে জোটেনি ভাতা কার্ড শিরোনামে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জাগো২৪.নেট’ এ সংবাদ প্রকাশ হয়। এ সংবাদটি ডিসি-ইউএনও এবং সমাজসেবা কর্মকর্তার নজরে পড়ে। সেটি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিবন্ধী সুমনকে ভাতাভূক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ওই সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি অবগত হই। এরপর প্রতিবন্ধী সুমনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয় এবং তাকে ভাতাভূক্ত করা হয়েছে। যার পরিচিতি নং ০৩৩২০০৫০৮৭৩।

এদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলাবাসী জানিয়েছেন, এই উপজেলায় সমাজসেবা কর্মকর্তা মনিক চন্দ্র রায় যোগদানের পর থেকে প্রাতিষ্ঠানিক সকল সেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছাতে চেষ্টা করছেন। তিনি মাঠপর্যায়ে সঠিক উপকারভোগি নির্বাচন করে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চিকনী গ্রামে দিনমজুর আবু বক্কর সিদ্দিক ও ফাতেমা বেগমের ছেলে সুমন আকন্দ। এর বয়স যখন ৮, তখন থেকে হারিয়ে ফেলে মানসিক ভারসাম্য। এই সুমনের বয়স এখন ১৭ বছর। এ ছেলেকে সুস্থ করতে বিভিন্ন চিকিৎসকের চিকিৎসা নেওয়া হয়। কিন্তু কিছুতেই আরোগ্য হয়নি। এভাবেই দীর্ঘ ৯ বছর চিকিৎসা করানো হয় সুমনকে। এর ব্যয় বহন করতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এর ফলে সর্বস্বান্ত হয়েছে পরিবারটি। সুমনের মানসিক সমস্যা বেড়ে গেলে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করাসহ পরিবারের লোকজনকে মারধর করে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে কখনও ঘরে তালাবন্দি আবার কখনও পায়ে শিকল বেঁধে রাখতে হচ্ছে সুমনকে।