দেশের অন্যতম জেনারেটর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সাকুরা পাওয়ার লিমিটেড রোববার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বাঁশহাটা এলাকায় তাদের ডিজিটাল এলপিজি অটো ফিলিং স্টেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে।
সাকুরা এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন সুইট। তিনি ফিতা কেটে ফিলিং স্টেশনের এলপিজি পাম্প উদ্বোধন করেন। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর সাকুরা পাওয়ার লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুজ্জোহা ও সাকুরা এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনের স্বত্তাধিকারী মোর্শেদ আহমেদ অতিথিদের নিয়ে সুসজ্জিত মঞ্চে আসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়কে চলাচলকারী মাইক্রোবাস ও থ্রি-হুইলার সিএনজি অটোরিক্সা চালকসহ স্থানীয় বিশিষ্টজনরা।
সাকুরা এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনের স্বত্তাধিকারী মোর্শেদ আহমেদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে দেশকে দ্রুত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। উন্নয়নের সকল পদক্ষেপেই জ্বালানির নিশ্চয়তা আগে দরকার। প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে গাড়ির জ্বালানির জন্য সরকার সিএনজি গ্যাসের পরিবর্তে এলপিজি গ্যাসে মোটরগাড়িসহ সকল যান্ত্রিক যানবাহন চালানোর উপর গুরুত্বারোপ করছে। লিকুফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যসের (এলপিজি) ব্যবহার শুরু করার লক্ষ্যেই তাদের কোম্পানি ‘সাকুরা’ গাইবান্ধার সাঘাটায় ডিজিটাল এলপিজি অটো ফিলিং স্টেশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল। আগামীতে গোটা জেলায় আরও ডিজিটাল অটো এলপিজি স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি সাকুরা পাওয়ার লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুজ্জোহা জানান, শুধু মুনাফার জন্য নয়, স্থানীয়দের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিতেই সাকুরা এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনের আজকের শুভযাত্রা। এখানে একটি অটোমোবাইল সার্ভিস সেন্টারও গড়ে তোলা হবে। গাড়িতে সিএনজি স্থাপনে যতটা জায়গা নেয় এলপিজি তার চেয়ে কম জায়গা নেবে। ২০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার এ ফিলিং স্টেশনটির শতভাগ কাজ সম্পন্ন হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তবে আজ থেকেই যানবাহনের চালকরা এখান থেকে সঠিক মাপে গ্যাস নিতে পারবেন।
প্রধান অতিথি মোশাররফ হোসেন সুইট বলেন, দেশের জ্বালানির মজুদের ওপর চাপ কমাতে এলপিজি বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে। জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় বিশ্বে এলপিজিতে যানবাহন চালানো বাড়ছে। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। বর্তমানে সিএনজিতে যেসব যানবাহন চলছে তা কম খরচে এলপিজিতে রূপান্তর করে এ গ্যাসে চালানো যাবে। প্রতি লিটার সিএনজিতে যত কিলোমিটার গাড়ি যায়, প্রতি লিটার এলপিজিতে তার চেয়ে বেশি কিলোমিটার যাবে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 

















