সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তরমুজ চাষ করে ঘুরে দাড়ানোর প্রত্যয়

“হাল ছাড়েনি মেহেদুল” তরমুজ চাষ করে ঘুরে দাড়ানোর প্রত্যয়। মেহেদুল রামনাথপুর ইউনিয়নের খেজমতপুর গ্রামের মরহুম আলহাজ সাদেক আলী মাস্টারের পুত্র ডিগ্রী পাস করে চাকুরি না করে নিজ পায়ে দাড়ানোর প্রত্যয়ে কৃষি কাজে মনোযোগি হয়। এ যাবৎ উপজেলা কৃষি মেলায় বিভিন্ন ফসলের ব্যাতিক্রমি উৎপাদনের কারনে বেশ কয়েকবার পুরুষ্কার অর্জন করেছেন।

গত ২০২১ সালে ৮ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করে ফলনও বেশ ভালো হয়েছিলো। বারী জাতের তরমুজের বিজ ক্রয় করে চাষ সব মিলিয়ে ২ লক্ষ টাকা খরচ করেন। প্রথমবার তরমুজ জমি থকে তুলে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে সব টাকা মিটিয়ে ২ লাখ টাকা ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। এর পরেও জমিতে প্রচুর তরমুজ অবশিষ্ট থাকে।

প্রথমবার বিক্রি করার ১৫-১৬ দিন পর পুনরায় তরমুজ বিক্রি করার সময় হলে দেশে ভয়াবহ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষনা করে। তরমুজ পচনশীল ফল উপযুক্ত সময়ের ৫-৬ দিনের মধ্যে ফসল না উঠালে তাতে পচন ধরে যায়। বিধি বাম। এক নাগারে ৩৫ দিন কঠোর লগডাউনের সময় সব তরমুজ জমিতে পচে যায়। এর পরেও হাল ছাড়েনি মেহেদুল।

চলতি মৌসুমে ফালগুন মাসের ১৫ তারিখে আলু উত্তোলন করে ৭-৮ ফুট দুরে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিজ ক্রয় করে গোবর, টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে ৮ বিঘা জমিতে ৫ হাজার চারা রোপন করে। বর্তমানে তরমুজের ফুল ও ফল আশা শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে বৌশাখ মাসের ২৫ তারিখের মধ্যেই বিক্রিয় করা শুরু হবে। তবে তরমুজের গাছে ছত্রাক নাশক কিছু দেখার পর উপজেলা কৃষি দপ্তরের পরামর্শে কিটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ৬ থেকে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা তরমুজ বিক্রির আশা মেহেদুলের।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাদেকুজ্জামান সরকার জাগো২৪.নেট-কে বলেন  তরমুজ উচ্চ ফলনশীল একটি ফসল, অল্প সময়ের মধ্যে এই ফসল উৎপাদন করে কৃষকেরা লাভবান হবে বলে আমি মনে করি”।

তরমুজ চাষ করে ঘুরে দাড়ানোর প্রত্যয়

প্রকাশের সময়: ০৫:৩৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২

“হাল ছাড়েনি মেহেদুল” তরমুজ চাষ করে ঘুরে দাড়ানোর প্রত্যয়। মেহেদুল রামনাথপুর ইউনিয়নের খেজমতপুর গ্রামের মরহুম আলহাজ সাদেক আলী মাস্টারের পুত্র ডিগ্রী পাস করে চাকুরি না করে নিজ পায়ে দাড়ানোর প্রত্যয়ে কৃষি কাজে মনোযোগি হয়। এ যাবৎ উপজেলা কৃষি মেলায় বিভিন্ন ফসলের ব্যাতিক্রমি উৎপাদনের কারনে বেশ কয়েকবার পুরুষ্কার অর্জন করেছেন।

গত ২০২১ সালে ৮ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করে ফলনও বেশ ভালো হয়েছিলো। বারী জাতের তরমুজের বিজ ক্রয় করে চাষ সব মিলিয়ে ২ লক্ষ টাকা খরচ করেন। প্রথমবার তরমুজ জমি থকে তুলে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে সব টাকা মিটিয়ে ২ লাখ টাকা ঘরে তুলতে সক্ষম হয়। এর পরেও জমিতে প্রচুর তরমুজ অবশিষ্ট থাকে।

প্রথমবার বিক্রি করার ১৫-১৬ দিন পর পুনরায় তরমুজ বিক্রি করার সময় হলে দেশে ভয়াবহ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। সরকার কঠোর লকডাউন ঘোষনা করে। তরমুজ পচনশীল ফল উপযুক্ত সময়ের ৫-৬ দিনের মধ্যে ফসল না উঠালে তাতে পচন ধরে যায়। বিধি বাম। এক নাগারে ৩৫ দিন কঠোর লগডাউনের সময় সব তরমুজ জমিতে পচে যায়। এর পরেও হাল ছাড়েনি মেহেদুল।

চলতি মৌসুমে ফালগুন মাসের ১৫ তারিখে আলু উত্তোলন করে ৭-৮ ফুট দুরে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিজ ক্রয় করে গোবর, টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে ৮ বিঘা জমিতে ৫ হাজার চারা রোপন করে। বর্তমানে তরমুজের ফুল ও ফল আশা শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুক‚লে থাকলে বৌশাখ মাসের ২৫ তারিখের মধ্যেই বিক্রিয় করা শুরু হবে। তবে তরমুজের গাছে ছত্রাক নাশক কিছু দেখার পর উপজেলা কৃষি দপ্তরের পরামর্শে কিটনাশক ঔষধ প্রয়োগ করছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ৬ থেকে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা তরমুজ বিক্রির আশা মেহেদুলের।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সাদেকুজ্জামান সরকার জাগো২৪.নেট-কে বলেন  তরমুজ উচ্চ ফলনশীল একটি ফসল, অল্প সময়ের মধ্যে এই ফসল উৎপাদন করে কৃষকেরা লাভবান হবে বলে আমি মনে করি”।