মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের দাবিতে সিরাজগঞ্জে সিপিবি’র বিক্ষোভ-সমাবেশ

নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, টিসিবির গাড়ি – দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধি, স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা – ন্যায্য মূল্যের দোকান চালু, ঈদের আগে শ্রমিকের বেতন- বকেয়া – বোনাস পরিশোধ, গনতন্ত্র, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ঘোষীত কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার সকল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ঘুড়কা বেলতলা বাজারে গণঅবস্থান, বিক্ষোভ – সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সিপিবি রায়গঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড দীলিপ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মসূচীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড শেখ মোস্তফা নুরুল আমীন বক্তব্য রাখেন।

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির ফলে মানুষের জীবন আজ বিপর্যস্ত। কমিউনিস্ট পার্টির চলমান কর্মসূচী দেখে শাসক আজ ভড়কে গেছে। কমিউনিস্ট পার্টির চলমান লড়াই সংগ্রামে মানুষের সতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ দেখে শাসক শ্রেণি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ সহ বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচীতে হামলা করা হয়েছে। হামলা করে ভাত- ভোটের চলমান লড়াই সংগ্রাম থামানো যাবেনা বরং তা চলবে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায়। যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রতি আলোকপাত করে তিনি বলেন,প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। এর উত্তরে আমরা বলতে চাই,অনেক পরে হলেও প্রধানমন্ত্রী একটি বিষয় মেনে নিয়েছেন। তাই আমরা বলতে চাই গৃহপালিতরা কেউ কখনো বিরোধী দল হতে পারেনা। যোগ করেন তিনি। অন্যদিকে ঘাতক জামায়াত শিবির এর সঙ্গে গাটছড়া বেধে বিএনপি আজ আরো জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যোগ করেন তিনি। কমরেড শেখ মোস্তফা নুরুল আমীন তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন,টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, গ্রাম থেকে নগর, এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত কমিউনিস্ট পার্টিই আজ মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলছে। এগিয়ে নিচ্ছে ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের গণসংগ্রাম। তিনি বলেন, কমিউনিস্ট পার্টিই এখন দৃশ্যতঃ গণমানুষের পক্ষের শক্তিশালী বিরোধী দল, সিপিবি মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে আছে এবং থাকবে। অন্যান্যের মধ্যে কমরেড ময়না খাতুন, কমরেড সুজাবত আলী,রুবেল হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঘুড়কা বেলতলা বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার সংলগ্ন ঢাকা – দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে আরো একটি পথসভায় মিলিত হয়। এখানেও নেতৃবৃন্দ কমিউনিস্ট পার্টির চলমান কর্মসূচী ও লড়াই সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের দাবিতে সিরাজগঞ্জে সিপিবি’র বিক্ষোভ-সমাবেশ

প্রকাশের সময়: ০৬:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২

নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, টিসিবির গাড়ি – দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধি, স্থায়ী রেশনিং ব্যবস্থা – ন্যায্য মূল্যের দোকান চালু, ঈদের আগে শ্রমিকের বেতন- বকেয়া – বোনাস পরিশোধ, গনতন্ত্র, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ঘোষীত কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার সকল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ঘুড়কা বেলতলা বাজারে গণঅবস্থান, বিক্ষোভ – সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সিপিবি রায়গঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড দীলিপ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত কর্মসূচীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড শেখ মোস্তফা নুরুল আমীন বক্তব্য রাখেন।

নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির ফলে মানুষের জীবন আজ বিপর্যস্ত। কমিউনিস্ট পার্টির চলমান কর্মসূচী দেখে শাসক আজ ভড়কে গেছে। কমিউনিস্ট পার্টির চলমান লড়াই সংগ্রামে মানুষের সতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ দেখে শাসক শ্রেণি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ সহ বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচীতে হামলা করা হয়েছে। হামলা করে ভাত- ভোটের চলমান লড়াই সংগ্রাম থামানো যাবেনা বরং তা চলবে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায়। যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক বক্তব্যের প্রতি আলোকপাত করে তিনি বলেন,প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। এর উত্তরে আমরা বলতে চাই,অনেক পরে হলেও প্রধানমন্ত্রী একটি বিষয় মেনে নিয়েছেন। তাই আমরা বলতে চাই গৃহপালিতরা কেউ কখনো বিরোধী দল হতে পারেনা। যোগ করেন তিনি। অন্যদিকে ঘাতক জামায়াত শিবির এর সঙ্গে গাটছড়া বেধে বিএনপি আজ আরো জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যোগ করেন তিনি। কমরেড শেখ মোস্তফা নুরুল আমীন তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন,টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, গ্রাম থেকে নগর, এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত কমিউনিস্ট পার্টিই আজ মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলছে। এগিয়ে নিচ্ছে ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের গণসংগ্রাম। তিনি বলেন, কমিউনিস্ট পার্টিই এখন দৃশ্যতঃ গণমানুষের পক্ষের শক্তিশালী বিরোধী দল, সিপিবি মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে আছে এবং থাকবে। অন্যান্যের মধ্যে কমরেড ময়না খাতুন, কমরেড সুজাবত আলী,রুবেল হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঘুড়কা বেলতলা বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার সংলগ্ন ঢাকা – দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে আরো একটি পথসভায় মিলিত হয়। এখানেও নেতৃবৃন্দ কমিউনিস্ট পার্টির চলমান কর্মসূচী ও লড়াই সংগ্রামের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।