সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ডায়রিয়ার প্রকোপ, ৩৬ ঘন্টায় ৫৩ রোগি ভর্তি

গাইবান্ধায় হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩ জন এবং বুধবার (২০ এপ্রিল) সকাল  থেকে দুপুর পর্যন্ত আরও ২০ রোগী গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে বয়স্ক নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুরাও রয়েছে।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী ও স্বজনারা জানায়, গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে একটি শয্যাও খালি নেই। বাধ্য হয়ে হাসপাতালের মেঝে, বারান্দা ও সিঁড়ির উপরে ও নীচে চিকিৎসা নিচ্ছে আক্রান্ত শিশুসহ বয়োবৃদ্ধরা। পর্যাপ্ত বেড ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে ফলে দূর্ভোগের যেন শেষ নেই।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ( আরএমও), ডা. শিহাব মো. রেজওয়ানুর রহমান বলেন, জনবল কম থাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ঘাটতি হচ্ছে দাবী করে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে রোগীর চাপ বেশি হলেও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি নেই ।

তিনি আরো বলেন, সবাই যদি সচেতন হয় এবং পরিস্কার পরিছন্ন থাকে তা হলে হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিস্কার পরিছন্ন থাকবে সেই সাথে এই ডায়রিয়ার সংখ্যা কমে যাবে।

গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে শিশুসহ তিনশত নব্বই জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। গত পহেলা বৈশাখে আক্রান্ত হয়ে একবৃদ্ধের মৃত্যু হয় ও এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলেও পাঠানো হয়েছে।

গাইবান্ধায় ডায়রিয়ার প্রকোপ, ৩৬ ঘন্টায় ৫৩ রোগি ভর্তি

প্রকাশের সময়: ০৬:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২

গাইবান্ধায় হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩ জন এবং বুধবার (২০ এপ্রিল) সকাল  থেকে দুপুর পর্যন্ত আরও ২০ রোগী গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে বয়স্ক নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুরাও রয়েছে।

ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী ও স্বজনারা জানায়, গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে একটি শয্যাও খালি নেই। বাধ্য হয়ে হাসপাতালের মেঝে, বারান্দা ও সিঁড়ির উপরে ও নীচে চিকিৎসা নিচ্ছে আক্রান্ত শিশুসহ বয়োবৃদ্ধরা। পর্যাপ্ত বেড ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে ফলে দূর্ভোগের যেন শেষ নেই।

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ( আরএমও), ডা. শিহাব মো. রেজওয়ানুর রহমান বলেন, জনবল কম থাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় ঘাটতি হচ্ছে দাবী করে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে রোগীর চাপ বেশি হলেও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি নেই ।

তিনি আরো বলেন, সবাই যদি সচেতন হয় এবং পরিস্কার পরিছন্ন থাকে তা হলে হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিস্কার পরিছন্ন থাকবে সেই সাথে এই ডায়রিয়ার সংখ্যা কমে যাবে।

গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে শিশুসহ তিনশত নব্বই জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। গত পহেলা বৈশাখে আক্রান্ত হয়ে একবৃদ্ধের মৃত্যু হয় ও এক শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলেও পাঠানো হয়েছে।