সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেই ব্যক্তি পেলেন হুইল চেয়ার, দিলেন পুলিশ সদস্য

প্যারালাইসেস আক্রান্ত অসহায় আব্দুস ছালাম মিয়ার হুইল চেয়ারের আকুতি। এ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। সেটি নজরের আসে তাজুল ইসলাম নামের এক পুলিশ সদস্যের। অবশেষে ঢাকা থেকে কুরিয়ারে একটি হুইল চেয়ার পাঠিছেয়েন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ মে) দুপুরে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কিশামত বড়বাড়ী গ্রামের ওই ছালাম মিয়ার হাতে হুইল চেয়ারটি হস্তান্তর করা হয়। এসময় আনন্দিত হয়েছেন ছালাম মিয়া ও তার স্বজনরা।

মানবিক এই কাজে অসহায় ব্যক্তির পাশে দাঁড়ানো তাজুল ইসলামের বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর (নাপিত বাজার) গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বারী আকন্দের ছেল। বর্তমানে স্পেশাল ব্রাঞ্চ এসবি ঢাকা’র বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই হুইল চেয়ারটি হাতে পেয়ে ছালাম মিয়ার স্ত্রী বলেন, আমরা গরিব মানুষ। একটি হুইল চেয়ারের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তা ভাগ্যে জুটিনি। আজ তাজুল ইসলাম বাবাজির দেওয়া হুইল চেয়ার পেয়ে খুব আনন্দিত। আল্লাহ তাকে অসহায় মানুষের সেবাদানের তৌফিক দান করুন। সেই সঙ্গে তার সুস্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকুক এই কামনা করি।

বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, সামান্য কিছু দিয়ে অসহায় ছালাম মিয়ার পাশে দাঁড়াতে পেরে অনেকটাই ভালো লেগেছে। আল্লাহ তাকে দীর্ঘায়ু দান করুন। আমিন।

 

সেই ব্যক্তি পেলেন হুইল চেয়ার, দিলেন পুলিশ সদস্য

প্রকাশের সময়: ০২:১১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২

প্যারালাইসেস আক্রান্ত অসহায় আব্দুস ছালাম মিয়ার হুইল চেয়ারের আকুতি। এ নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। সেটি নজরের আসে তাজুল ইসলাম নামের এক পুলিশ সদস্যের। অবশেষে ঢাকা থেকে কুরিয়ারে একটি হুইল চেয়ার পাঠিছেয়েন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ মে) দুপুরে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কিশামত বড়বাড়ী গ্রামের ওই ছালাম মিয়ার হাতে হুইল চেয়ারটি হস্তান্তর করা হয়। এসময় আনন্দিত হয়েছেন ছালাম মিয়া ও তার স্বজনরা।

মানবিক এই কাজে অসহায় ব্যক্তির পাশে দাঁড়ানো তাজুল ইসলামের বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর (নাপিত বাজার) গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল বারী আকন্দের ছেল। বর্তমানে স্পেশাল ব্রাঞ্চ এসবি ঢাকা’র বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই হুইল চেয়ারটি হাতে পেয়ে ছালাম মিয়ার স্ত্রী বলেন, আমরা গরিব মানুষ। একটি হুইল চেয়ারের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তা ভাগ্যে জুটিনি। আজ তাজুল ইসলাম বাবাজির দেওয়া হুইল চেয়ার পেয়ে খুব আনন্দিত। আল্লাহ তাকে অসহায় মানুষের সেবাদানের তৌফিক দান করুন। সেই সঙ্গে তার সুস্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকুক এই কামনা করি।

বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, সামান্য কিছু দিয়ে অসহায় ছালাম মিয়ার পাশে দাঁড়াতে পেরে অনেকটাই ভালো লেগেছে। আল্লাহ তাকে দীর্ঘায়ু দান করুন। আমিন।