মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফুলছড়ির নদে ধর্মীয়-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীনের আশঙ্কা, রক্ষার দাবি এলাকাবাসীর

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নদী ভাঙন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, আবাদি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কবলিত তীরে শিশু নারী-পুরুষ, বৃদ্ধসহ কয়েক শতাধিক মানুষ সমবেত হয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের দাবির সাথে একত্বতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু,  গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা, ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন মিয়া, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম সাজু ও আজাদ হোসেন, শিক্ষক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের খলাইহাড়া ও উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া, কটিয়ারভিটা, ভুষিরভিটা ও দাড়িয়ারভিটা এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় নদী ভাঙন রোধে দ্রত ব্যবস্থা না নিলে এ এলাকার ৭টি মসজিদ, ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কবরস্থান, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ভেঙে যাবে। তারা বলেন, আমাদের ঘর-বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেলে আমরা যাযাবর হয়ে যাব। আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হবে। তারা দ্রত নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো দ্রুত পরিদর্শন করা হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে স্থায়ী ব্যবস্থা  না হলেও আপাতত অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ড্যাম্পিংএর ব্যবস্থা করা হবে।

ফুলছড়ির নদে ধর্মীয়-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীনের আশঙ্কা, রক্ষার দাবি এলাকাবাসীর

প্রকাশের সময়: ০৪:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মে ২০২২

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নদী ভাঙন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, আবাদি জমিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কবলিত তীরে শিশু নারী-পুরুষ, বৃদ্ধসহ কয়েক শতাধিক মানুষ সমবেত হয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের দাবির সাথে একত্বতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু,  গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা, ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন মিয়া, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম সাজু ও আজাদ হোসেন, শিক্ষক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের খলাইহাড়া ও উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া, কটিয়ারভিটা, ভুষিরভিটা ও দাড়িয়ারভিটা এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় নদী ভাঙন রোধে দ্রত ব্যবস্থা না নিলে এ এলাকার ৭টি মসজিদ, ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কবরস্থান, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি ভেঙে যাবে। তারা বলেন, আমাদের ঘর-বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেলে আমরা যাযাবর হয়ে যাব। আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হবে। তারা দ্রত নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকাগুলো দ্রুত পরিদর্শন করা হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে স্থায়ী ব্যবস্থা  না হলেও আপাতত অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ড্যাম্পিংএর ব্যবস্থা করা হবে।