মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে  

উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের সদরা কুতুবপুর আমিনিয়া সিনিয়ার (আলিম) মাদ্রাসার অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে শতাধিক অভিভাবক ও এলাকাবাসী মাননীয় সংসদ সদস্য পীরগঞ্জ জেলা প্রশাসক, রংপুর, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন, রংপুর, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, রংপুর, অফিসার ইনচার্জ, পীরগঞ্জ থানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পীরগঞ্জ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পীরগঞ্জকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এলাকাবাসী ও অভিযোগের সূত্রে জানা যায় উক্ত মাদ্রাসার পাশেই সদরা কুতুবপুর কাশিমপুর ও শ্যামপুর এলাকার দানশীল ব্যক্তিবর্গ ইসলামী শিক্ষা প্রসারের জন্য ১০ একর জমি মাদ্রাসার নামে দান করেন। বর্তমানে উক্ত মাদরাসার নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় ধুরন্ধর অধ্যক্ষ জনৈক এক শিক্ষকের স্ত্রী আসমা আক্তারের নামে ৩৬ ছত্রিশ শতক জমি দিয়ে ২৫ শতক জমি রেওয়াজ বদল করেছেন। অথচ রেজওয়া বদলকৃত জমির মূল্য শ্রেণি ভেদে মাদ্রাসার জমি চেয়ে অর্ধেক মূল্যের চেয়ে কম।

এতে প্রায় ৭ সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়ও বেশ কয়েক দিন পূর্বে মাদ্রাসা মাঠে অনুমতি ছাড়াই ১০টি মেহগনি গাছ কর্তন করলে স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে গাছ গুলো জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট জিম্মা রাখা হয়। যাহার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। এছাড়াও পূর্বে লীজ দেয়া জমিতে লীজ গৃহিতারা বাড়ী ঘর, পুকুর নির্মাণসহ নানা অবকাঠামো তৈরি করেছেন বলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়।

এলাকাবাসী নিরপেক্ষ তদন্ত করে দুর্নীতিবাজ অর্থ আত্মসাত কারী মাওলানা রফিকুল ইসলামের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধংসের হাত হতে রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।

এবিষয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলামের নিকট কথা বলে জানা গেছে তিনি বলেন- ভাই যাহা হয়েছে সেটাতো হয়েচেই, জেল জরিমানা মানুষের জন্য সেখানে গরু, বাছুর থাকে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা- বিরোদা রানী রায় জাগো২৪.নেট-কে বলেন-, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত কমিটি গঠন কওে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

পীরগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে  

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের সদরা কুতুবপুর আমিনিয়া সিনিয়ার (আলিম) মাদ্রাসার অধ্যাক্ষের বিরুদ্ধে শতাধিক অভিভাবক ও এলাকাবাসী মাননীয় সংসদ সদস্য পীরগঞ্জ জেলা প্রশাসক, রংপুর, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন, রংপুর, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, রংপুর, অফিসার ইনচার্জ, পীরগঞ্জ থানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পীরগঞ্জ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পীরগঞ্জকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এলাকাবাসী ও অভিযোগের সূত্রে জানা যায় উক্ত মাদ্রাসার পাশেই সদরা কুতুবপুর কাশিমপুর ও শ্যামপুর এলাকার দানশীল ব্যক্তিবর্গ ইসলামী শিক্ষা প্রসারের জন্য ১০ একর জমি মাদ্রাসার নামে দান করেন। বর্তমানে উক্ত মাদরাসার নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদ না থাকায় ধুরন্ধর অধ্যক্ষ জনৈক এক শিক্ষকের স্ত্রী আসমা আক্তারের নামে ৩৬ ছত্রিশ শতক জমি দিয়ে ২৫ শতক জমি রেওয়াজ বদল করেছেন। অথচ রেজওয়া বদলকৃত জমির মূল্য শ্রেণি ভেদে মাদ্রাসার জমি চেয়ে অর্ধেক মূল্যের চেয়ে কম।

এতে প্রায় ৭ সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়ও বেশ কয়েক দিন পূর্বে মাদ্রাসা মাঠে অনুমতি ছাড়াই ১০টি মেহগনি গাছ কর্তন করলে স্থানীয়রা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে গাছ গুলো জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট জিম্মা রাখা হয়। যাহার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। এছাড়াও পূর্বে লীজ দেয়া জমিতে লীজ গৃহিতারা বাড়ী ঘর, পুকুর নির্মাণসহ নানা অবকাঠামো তৈরি করেছেন বলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়।

এলাকাবাসী নিরপেক্ষ তদন্ত করে দুর্নীতিবাজ অর্থ আত্মসাত কারী মাওলানা রফিকুল ইসলামের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধংসের হাত হতে রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন।

এবিষয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলামের নিকট কথা বলে জানা গেছে তিনি বলেন- ভাই যাহা হয়েছে সেটাতো হয়েচেই, জেল জরিমানা মানুষের জন্য সেখানে গরু, বাছুর থাকে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা- বিরোদা রানী রায় জাগো২৪.নেট-কে বলেন-, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত কমিটি গঠন কওে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।