মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেই বাড়িতে হামলার ঘটনায় ৪ দিনেও গ্রেফতার হয়নি আসামি, পরিদর্শনে এসপি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট হাসানপাড়া (বাজারপাড়া) গ্রামের মধু চন্দ্র দাসের বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো গ্রেফতার হয়নি আসামি। ফলে আসামিদের হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছে বাদি পরিবার।

এদিকে, আজ সোমবার (৩০ মে) দুপুরে মুধ চন্দ্র দাসের বাড়িটি পরিদর্শন করেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

এরআগে সাদুল্লাপুর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা, রোকসানা বেগম, ওসি প্রদীপ কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল কবির মিন্টু, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রনজিত অধিকারীসহ আরও অনেকে পরিদর্শনে এসে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন।

বর্তমান মধু ও তার পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করছেন। আসামিদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদি পরিবার। এ কারণে তাদের নিরাপত্তায় পাহারায় রয়েছে গ্রামপুলিশ।

প্রসঙ্গত: গত শুক্রবার রাত আড়াই টার দিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তান্ডব চালিয়েছে দূবৃত্তরা। ভুক্তভোগী মধুর পরিবার জানান, বেশ কিছুদিন থেকে হাসান পাড়া গ্রামের মৃত্যু চেংটু মিয়ার ছেলে ইসলাম মিয়া ও ময়নুল গংরা তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য ভয়ভীতি ও চাঁদা দাবী করে আসছিলো। এ বিষয়ে মধু মিয়া গত ২১ মে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এ খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ২০-২৫ জনের একটি দূর্বৃত্তদল দেশীয় ধারালো অস্ত্র, পেট্রোল, লাঠিসোডা নিয়ে মধুর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে মধুর মা, ভাই, স্ত্রী সস্তানসহ সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘন্টাব্যাপী তান্ডব চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটতরাজ করে। এ সময় মধু জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোন করলে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দল ঘটনাস্থলে এলে দূর্বৃত্তরা পেট্রোলের বোতল, ধারালো ছোরা, লাঠি রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মধু চন্দ্রের আনুমানিক ৪ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন হয়েছে। এ নিয়ে সাদুল্লাপুর থানায় ৬ জন নামীয় ও অজ্ঞাত নামা ১০-১২জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়। এই মামলার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) সেরাজুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানান, আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত আছে। খুব দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সেই বাড়িতে হামলার ঘটনায় ৪ দিনেও গ্রেফতার হয়নি আসামি, পরিদর্শনে এসপি

প্রকাশের সময়: ০৯:১০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট হাসানপাড়া (বাজারপাড়া) গ্রামের মধু চন্দ্র দাসের বাড়িতে ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো গ্রেফতার হয়নি আসামি। ফলে আসামিদের হুমকিতে আতঙ্কে রয়েছে বাদি পরিবার।

এদিকে, আজ সোমবার (৩০ মে) দুপুরে মুধ চন্দ্র দাসের বাড়িটি পরিদর্শন করেন গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

এরআগে সাদুল্লাপুর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা, রোকসানা বেগম, ওসি প্রদীপ কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল কবির মিন্টু, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রনজিত অধিকারীসহ আরও অনেকে পরিদর্শনে এসে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন।

বর্তমান মধু ও তার পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করছেন। আসামিদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদি পরিবার। এ কারণে তাদের নিরাপত্তায় পাহারায় রয়েছে গ্রামপুলিশ।

প্রসঙ্গত: গত শুক্রবার রাত আড়াই টার দিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তান্ডব চালিয়েছে দূবৃত্তরা। ভুক্তভোগী মধুর পরিবার জানান, বেশ কিছুদিন থেকে হাসান পাড়া গ্রামের মৃত্যু চেংটু মিয়ার ছেলে ইসলাম মিয়া ও ময়নুল গংরা তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য ভয়ভীতি ও চাঁদা দাবী করে আসছিলো। এ বিষয়ে মধু মিয়া গত ২১ মে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এ খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ২০-২৫ জনের একটি দূর্বৃত্তদল দেশীয় ধারালো অস্ত্র, পেট্রোল, লাঠিসোডা নিয়ে মধুর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে মধুর মা, ভাই, স্ত্রী সস্তানসহ সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘন্টাব্যাপী তান্ডব চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটতরাজ করে। এ সময় মধু জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোন করলে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দল ঘটনাস্থলে এলে দূর্বৃত্তরা পেট্রোলের বোতল, ধারালো ছোরা, লাঠি রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মধু চন্দ্রের আনুমানিক ৪ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন হয়েছে। এ নিয়ে সাদুল্লাপুর থানায় ৬ জন নামীয় ও অজ্ঞাত নামা ১০-১২জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়। এই মামলার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) সেরাজুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানান, আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত আছে। খুব দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।