মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বন্যাকালীন অন্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সিদ্ধান্ত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যালয় মাঠ বন্যামুক্ত রাখতে বার্ষিক পর্যালোচনা ও যৌথ পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বন্যাকালীন সময়ে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে পার্শ্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়ে পাঠদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এই সভায়।

সোমবার (৩০ মে) উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসোড’র আয়োজনে বন্যা চলাকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান ও বন্যামুক্ত বিদ্যালয় রাখতে উপজেলা শিক্ষা, এলজিইডি এবং পিআইও অফিসের যৌথ পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম হারুন-উর-রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওয়ালিফ মণ্ডল, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ, আশিকুর রহমান, মুকুল চন্দ্র বর্মণ, বিপ্লব হাসান মদিনা, জাহাঙ্গীর আলম, রিপন আলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী নয়ন রায়, এসোড’র (এফআরপি) পিএম শাহিন আহমেদ, মাঠ কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন, এফএফ শাহজালাল ইসলাম প্রমুখ।

বন্যাদুর্গত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বন্যা চলাকালীন সময়ে স্থানীয় পর্যায়ের লোকজনকে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখাসহ যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে পার্শ্ববর্তী অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়ে পাঠদান চলমান রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়াও এসব এলাকায় বন্যার সময় যোগাযোগের জন্য নৌকার প্রয়োজন হলে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত ও নতুন স্কুলের মাঠ ভরাটের জন্য উপজেলা এলজিইডি এবং পিআইও অফিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবে।

 

 

সুন্দরগঞ্জে বন্যাকালীন অন্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সিদ্ধান্ত

প্রকাশের সময়: ০৯:১৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যালয় মাঠ বন্যামুক্ত রাখতে বার্ষিক পর্যালোচনা ও যৌথ পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বন্যাকালীন সময়ে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে পার্শ্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়ে পাঠদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এই সভায়।

সোমবার (৩০ মে) উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসোড’র আয়োজনে বন্যা চলাকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান ও বন্যামুক্ত বিদ্যালয় রাখতে উপজেলা শিক্ষা, এলজিইডি এবং পিআইও অফিসের যৌথ পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম হারুন-উর-রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওয়ালিফ মণ্ডল, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ, আশিকুর রহমান, মুকুল চন্দ্র বর্মণ, বিপ্লব হাসান মদিনা, জাহাঙ্গীর আলম, রিপন আলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী নয়ন রায়, এসোড’র (এফআরপি) পিএম শাহিন আহমেদ, মাঠ কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন, এফএফ শাহজালাল ইসলাম প্রমুখ।

বন্যাদুর্গত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বন্যা চলাকালীন সময়ে স্থানীয় পর্যায়ের লোকজনকে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখাসহ যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে পার্শ্ববর্তী অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়ে গিয়ে পাঠদান চলমান রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়াও এসব এলাকায় বন্যার সময় যোগাযোগের জন্য নৌকার প্রয়োজন হলে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত ও নতুন স্কুলের মাঠ ভরাটের জন্য উপজেলা এলজিইডি এবং পিআইও অফিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবে।