মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে  যুবকের মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে নাঈম ইসলাম (২২) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩১ মে) গাইবান্ধা শহরের পৌর শহেরর ভিএইড রোডের ওই নিরাময় কেন্দ্র থেকে নাঈমে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে সদর উপজেলার চকমামরোজপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, বছর দেড়েক আগে পাশ্বর্বতী গ্রামের এক মেয়েকে নিজ পছন্দে একাই বিয়ে করেন নাইম। বিয়ের ছয় মাস পরে ডিভোর্সও হয় তাদের। এরপর থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এমতাবস্থায় নাঈমকে স্থানীয় একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

কেন্দ্রটির একেএম বিপ্লব নামের একজন জানান, দেড়মাস আগে নিরাময় কেন্দ্রে নাঈমকে ভর্তি করান তার পরিবার। আজ সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় গিয়ে দেখেন নাঈমের গলায় গামছা প্যাচানো অবস্থায় গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস লাগানো রয়েছে। পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।মানসিক ডিপ্রেশনের যায়গা থেকে নাঈম গলায় গামছা পেচিয়ে আত্মহত্যা করে বলে ধারণা করছেন তিনি।

গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নাঈমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ময়নাতদন্তের জন্য  জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তদন্ত রিপোর্ট ও নাঈমের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

 

গাইবান্ধায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে  যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

গাইবান্ধার একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে নাঈম ইসলাম (২২) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩১ মে) গাইবান্ধা শহরের পৌর শহেরর ভিএইড রোডের ওই নিরাময় কেন্দ্র থেকে নাঈমে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে সদর উপজেলার চকমামরোজপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, বছর দেড়েক আগে পাশ্বর্বতী গ্রামের এক মেয়েকে নিজ পছন্দে একাই বিয়ে করেন নাইম। বিয়ের ছয় মাস পরে ডিভোর্সও হয় তাদের। এরপর থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। এমতাবস্থায় নাঈমকে স্থানীয় একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

কেন্দ্রটির একেএম বিপ্লব নামের একজন জানান, দেড়মাস আগে নিরাময় কেন্দ্রে নাঈমকে ভর্তি করান তার পরিবার। আজ সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় গিয়ে দেখেন নাঈমের গলায় গামছা প্যাচানো অবস্থায় গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস লাগানো রয়েছে। পরিবার ও পুলিশকে খবর দেয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।মানসিক ডিপ্রেশনের যায়গা থেকে নাঈম গলায় গামছা পেচিয়ে আত্মহত্যা করে বলে ধারণা করছেন তিনি।

গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নাঈমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি ময়নাতদন্তের জন্য  জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তদন্ত রিপোর্ট ও নাঈমের পরিবার থেকে কোন অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।