মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে ৬ মাসের সন্তান রেখে গৃহবধূর আত্মহত্যা

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে শ্বাশুড়ির ওপর অভিমান করে ৬ মাসের সন্তানকে ঘুমিয়ে রেখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সুলতানা বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূ। এ আতœহত্যার ঘটনাটি বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের মাঝাপাড়ায় ঘটেছে। নিহত সুলতানা বেগম ওইপাড়ার সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী।

জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার মধ্যেই বাড়ির কাজকর্ম শেষ করেন সুলতানা। কাজের এক পর্যায়ে বাড়ির আঙিনায় পানি ফেলা নিয়ে তর্ক হয় পুত্রবধূ সুলতানা ও তার শ্বাশুড়ি মর্জিনা বেগমের। তর্ক শেষে তারা নিজ নিজ ঘরে চলে যায়। সুলতানা তার একমাত্র ৬ মাস বয়সী শিশু সন্তানকে ফিডারে দুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপারে সুলতানার শ্বাশুড়ি মর্জিনা বেগম বলেন, সন্ধ্যায় সামান্য একটু পানি ফেলা নিয়ে ছেলের বউ সুলতানাকে বকাঝকা করি। তারপর নিজ নিজ ঘরে চলে যাই। এরই মধ্যে সে এতো বড় কান্ড ঘটিয়েছে তা বুঝতে পারিনি। সুলতানার স্বামী সাদ্দাম হোসেন শহরে কাজ শেষ করে বাড়িতে ফিরে এসে তাকে ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ পাননি। এরপর সুলতানার ঘরের দরজা বন্ধ। তবে ভেতর থেকে লাগানো ছিল না। দরজা খুলতেই সুলতানাকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ আত্নহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।

চিরিরবন্দরে ৬ মাসের সন্তান রেখে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৯:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০২২

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে শ্বাশুড়ির ওপর অভিমান করে ৬ মাসের সন্তানকে ঘুমিয়ে রেখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সুলতানা বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূ। এ আতœহত্যার ঘটনাটি বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের মাঝাপাড়ায় ঘটেছে। নিহত সুলতানা বেগম ওইপাড়ার সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী।

জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার মধ্যেই বাড়ির কাজকর্ম শেষ করেন সুলতানা। কাজের এক পর্যায়ে বাড়ির আঙিনায় পানি ফেলা নিয়ে তর্ক হয় পুত্রবধূ সুলতানা ও তার শ্বাশুড়ি মর্জিনা বেগমের। তর্ক শেষে তারা নিজ নিজ ঘরে চলে যায়। সুলতানা তার একমাত্র ৬ মাস বয়সী শিশু সন্তানকে ফিডারে দুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপারে সুলতানার শ্বাশুড়ি মর্জিনা বেগম বলেন, সন্ধ্যায় সামান্য একটু পানি ফেলা নিয়ে ছেলের বউ সুলতানাকে বকাঝকা করি। তারপর নিজ নিজ ঘরে চলে যাই। এরই মধ্যে সে এতো বড় কান্ড ঘটিয়েছে তা বুঝতে পারিনি। সুলতানার স্বামী সাদ্দাম হোসেন শহরে কাজ শেষ করে বাড়িতে ফিরে এসে তাকে ডাকাডাকি করেও কোন সাড়াশব্দ পাননি। এরপর সুলতানার ঘরের দরজা বন্ধ। তবে ভেতর থেকে লাগানো ছিল না। দরজা খুলতেই সুলতানাকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ আত্নহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।