গাইবান্ধা শহরে যানজট নিরসনে ফোরলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। আড়াই কিলোমিটার সড়কজুড়ে এই ফোরলেন হলেও যানজটের দূর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি শহরবাসীর। নিত্যদিন সকাল, দুপুর-সন্ধ্যা যানজটের ভোগান্তি নিয়তি মনে করে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। এই শহরের ৬ টি পয়েন্টে তীব্র যানজটে নাকাল মানুষেরা।
বুধবার (৮ জুন) গাইবান্ধা শহরের প্রধান সড়ক ডিবি রোডে দেখা যায় তীব্র জানজটের চিত্র। সেখানে থেমে থেমে চলছে যানবাহনের চাকা। যানজটের গ্যাড়াকলে প্রতিদিন রিকশা, ইজিবাইকসহ অন্যান্য বাহনে চলতে নষ্ট হচ্ছে পথচারীদের কর্মঘন্টা।
শহরের ডিবি রোড, কাচারী বাজার,পুরনো জেলখানা মোড়, ব্রীজরোড, এক নম্বর ও দুই নম্বর রেলগেট এলাকাসহ নির্ধারিত ৬ টি পয়েন্টে লেগে থাকে সবচেয়ে বেশী যানজট। শহরের প্রায় তিন কিলোমিটার অংশের পুরোটা জুড়ে অসহনীয় যানজট থেকে বাদ পড়েনা স্কুল কলেজগামী ছাত্রছাত্রী,ব্যবসায়ী, শ্রমিক এমনকি অফিস-আদালতগামী সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।
শহরবাসীর অভিযোগ, ফোরলেনের ডিভাইডার বড় করে দুই পাশের সড়কের প্রস্থ কমিয়ে রেলগেটসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে নকশা অনুযায়ী শেষ করা হয়নি প্রকল্পের কাজ। ফলে ফোরলেন বাস্তবায়ন হলেও ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক আর ভাড়ী যানবাহনের চাপ নিতে পারছেনা এই সড়ক।
অন্যদিকে, সড়কের উভয় পাশে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানাম, ডাকবাংলার মোড়, শহরের ব্রীজরোড ও জেলখানার মোড় দখল করে প্রভাবশালীদের অটোরিকশার অলিখিত স্ট্যান্ড, ফুটপাত দখল করে হকারের রাজত্ব যানজটের অন্যতম কারন বলে অভিযোগ করছেন পথচারীদের অনেকে। আর যানজট সমস্যা যখন গাইবান্ধা শহরের বিষফোড়া তখন যানজট নিয়ে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করছে ট্রাফিক পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ।
গাইবান্ধানূর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, নুর আলম সিদ্দিক বলেন, আমি অনেক বার মেয়র মহাদয়কে বলেছি পৌর সভায় কতগুলো অবৈধ্য রিকশা, অটোরিকশা আছে তার তালিকা দেন কিন্তু তিনি এখনও আমাদের কোন তালিকা দেন নি। আর আমাদের ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিয়ে সব সময় কাজ করে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা পৌর মেয়র মতলুবর রহমান বলে, যানজট নিরসনের দ্বায়িত্ব ট্রাফিক বিভাগের। ট্রাফিক বিভাগ যদি তাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করে তা হলে মনে হয় এই শহরে যানজন বলতে কিছুই থাকবে না।

করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















