গাইবান্ধা সদরের সরকার পাড়ার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন (৫০) পিতা-মৃত আতাব উদ্দিন। গাইবান্ধা গোডাউন রোডের বাসিন্দা বুলেট মিয়ার নামে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। যে আসামী বুলেট মিয়া গত ২-৩ মাস পূর্বে ভুক্তভোগী ইসমাই হোসেনের কাছ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা কর্জ নেয়। উক্ত টাকা যথাযথ সময়ে পরিশোধ না করে, একের পর এক তারিখ দেয়।
১৫/০৪/২০২২ ইং তারিখে,উক্ত টাকা আদায়ের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ করেন। ওই সালিশে সবার সামনে আসামী বুলেট মিয়া টাকা নেওয়ার কথা শিকার করে এবং আগামী ০৪ মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধ করার কথা বলে ১০০ টাকা মূল্যর ৩ টা নন জুডিসিয়াল ষ্টামে অঙ্গীকারনামা প্রস্তুত করে, স্বাক্ষর দিয়ে চলে যায়।
এমন্ত অবস্তায় ০৬/০৬/২০২২ ইং তারিখ সকাল অনুমান ১০.৪৫ ঘটিকার সময় ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোছাঃশিরিন খাতুন,গোডাউন রোডের মঞ্জিলা বেগমের চায়ের দোকানের সামনে গেলে আসামীদ্বয় তার পথরোধ করে অক্যথ ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে ভুক্তভোগীর স্ত্রী গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আসামী চান্দু মিয়া মার হুকুম দেয়।
এক পর্যায়ে আসামী চান্দু মিয়া,বুলেট মিয়া,ভুক্তভোগীর স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে। পরে ঐ সুযোগে বুলেট মিয়া ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার-টাকা। তখন আশপাশের লোকজন এসে তাকে অপরিচিত অটোবাইক যোগে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী ইসমাইল হোসেন হাসপাতালে গিয়ে তার স্ত্রী এর কাছে বিস্তারিত, যেনে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

রাতুল মিয়া, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা সদর 

















