রংপুরের গংগাচড়া উপজেলায় ৭ বছরের এক কন্যাশিশু ধর্ষণের ঘটনায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নারীসহ ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
শনিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (মিডিয়া) মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গংগাচড়া উপজেলার দক্ষিণ খলেয়া (কাহারটারী) গ্রামের আজাহারুল ইসলামের ছেলে মেজবাউল হক ঘুটুর রুমের ভেতর এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা হলেও এ মামলার এজাহার নামীয় আসামি সূর্যিনা বেগম ও আজাহারুল ইসলাম খদরের সহযোগিতায় মেজবাইল হোসেন ঘুটু (২৮) ওই শিশুকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে। এরপর শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অভিভাবক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে ভিকটিমকে পরবর্তীতে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গংগাচড়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। এ মামলার ঘটনাটি এলাকার লোকজনের মুখে মুখে প্রচার হতে থাকে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হওয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল উক্ত ঘটনার বিষয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তের একপর্যায়ে শনিবার (১১ জুন) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন করে ধর্ষণের সাথে জড়িত ওই আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (মিডিয়া) মাহমুদ বশির আহমেদ আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী মেজবাউল হক ঘুটু উক্ত ঘটনাটি সম্পূর্ণ বর্ণনা করে যে ১ জুন আসামি সূর্যিনা বেগম ভিকটিমের বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরদিন ২ জুন শিশুটি স্কুল যাওয়ার সময় সূর্যিনা বেগমের সাথে যায়। এসময় পথিমধ্যে টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখায় এবং স্কুল শেষে তার বাড়িতে আসতে বলে। পরবর্তীতে ভিকটিম আসামিদের বাড়িতে আসলে ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী মেজবাউল হক ঘুটু তার ঘরের ভেতর দুপুর আড়াইটার দিকে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 

















