মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চেক ডিসওনার মামলায় মাদ্রাসার সুপার গ্রেফতার

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে চেক ডিসওনার মামলায় এক মাদ্রাসা সুপারিন্টেনডেন্টকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গত ১০ জুন শুক্রবার দিবাগত রাত ৯টায় উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের শান্তিরবাজার নামক স্থান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।

জানা গেছে, বাসুদেবপুর হাই উল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ বাজারের আব্দুল জব্বারের মেয়ে শহরবানুকে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ২০১৪ সালে তার স্বামী মাহমুদুল হাসান সুমনের নিকট থেকে ৪ লাখ টাকা নেয়। পরবর্তীতে চাকুরী না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে সুপারিন্টেনডেন্ট বিভিন্ন তালবাহানা করে অবশেষে তার নিজস্ব একাউন্টের একটি চেক ও স্ট্যাম্পে মুচলেকা প্রদান করেন। সুপারিন্টেনডেন্ট রফিকুল ইসলামের হিসাব নম্বরে চেকটি ডিসওনার হলে ভুক্তভোগী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করলে পুলিশ ওই সুপারিন্টেনডেন্টকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে।

মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান সুমন জানান, টাকা ফেরত দিতে তালবাহানাসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। আমাকেসহ আমার শ্বশুড়, সমন্ধীর নামে মিথ্যা মামলা করে। বাধ্য হয়েই আমি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চেক ডিসওনারের মামলা দায়ের করি।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ জাগো২৪.নেটকে জানান, বিজ্ঞ আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানামূলে তাকে আটক করা হয়েছে এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

চেক ডিসওনার মামলায় মাদ্রাসার সুপার গ্রেফতার

প্রকাশের সময়: ০৯:০৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুন ২০২২

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে চেক ডিসওনার মামলায় এক মাদ্রাসা সুপারিন্টেনডেন্টকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গত ১০ জুন শুক্রবার দিবাগত রাত ৯টায় উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের শান্তিরবাজার নামক স্থান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।

জানা গেছে, বাসুদেবপুর হাই উল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ বাজারের আব্দুল জব্বারের মেয়ে শহরবানুকে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ২০১৪ সালে তার স্বামী মাহমুদুল হাসান সুমনের নিকট থেকে ৪ লাখ টাকা নেয়। পরবর্তীতে চাকুরী না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে সুপারিন্টেনডেন্ট বিভিন্ন তালবাহানা করে অবশেষে তার নিজস্ব একাউন্টের একটি চেক ও স্ট্যাম্পে মুচলেকা প্রদান করেন। সুপারিন্টেনডেন্ট রফিকুল ইসলামের হিসাব নম্বরে চেকটি ডিসওনার হলে ভুক্তভোগী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করলে পুলিশ ওই সুপারিন্টেনডেন্টকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে।

মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান সুমন জানান, টাকা ফেরত দিতে তালবাহানাসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত। আমাকেসহ আমার শ্বশুড়, সমন্ধীর নামে মিথ্যা মামলা করে। বাধ্য হয়েই আমি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চেক ডিসওনারের মামলা দায়ের করি।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ জাগো২৪.নেটকে জানান, বিজ্ঞ আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানামূলে তাকে আটক করা হয়েছে এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।