মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাঙন ঠেকায়নি সংশ্লিষ্টরা, মেরামতের চেষ্টায় এলাকাবাসী

তোফায়েল ও মাসুদঃ কাঁচা রাস্তার মাঝে স্লুইচ গেট। এর পাদদেশে সৃষ্টি হয় ভাঙন। ঝুঁকি নিয়ে চলছিলেন মানুষ। এই ভাঙন ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন তারা। কিন্তু কেউ শোনেনি ভুক্তভোগিদের কথা। অবশেষে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙনটি ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে এমনি এক চিত্র দেখা গেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট ব্রিজ-কামারপাড়া কাঁচা রাস্তার খামার বাগচী ও পুরানলক্ষীপুর সীমান্তবর্তী  গ্রামে। এখানকার স্লুইচ গেট ঘেঁসে সৃষ্টি হওয়া বিশালাকৃতির ওই গর্তে মাটিভরাট কাজে ব্যস্ত ছিলেন স্থানীয় জনসাধারণ।

তারা জানায়, কৃষি ফসল রক্ষায় কয়েক যুগ আগে ওই স্থানে নির্মিত হয় স্লুইচ গেট। এরই মধ্যে গেটটি ঘেঁষে রাস্তার নিচে একটি সুড়ঙ্গ (গর্ত) সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতেও হালকা যানবাহন ও হেঁটে সুড়ঙ্গটির ওপর দিয়ে মানুষ চলাফেরা করছিলেন।

এতে করে মাটি ধসে যে কোন মুহূর্তে প্রাণহানীর সম্ভাবনা দেখা দেয়। এছাড়া অতি ঝুঁকিতে ছিল স্লুইচ গেট। দ্রুত সড়ঙ্গে মাটিভরাট না করা হলে পানির চাপে নদীগর্ভে বিলীন হতো এই গেটটি। সেই সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগসহ পানিতে তলিয়ে যেতো সহস্রাধিক হেক্টর কৃষি ফসল। বিদ্যমান পরিস্থিতে আশপাশের প্রায় ১৫ গ্রামের মানুষ চরম দুশ্চিন্তায় পড়ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল, নাজমুল, সুজন ও ফিরোজ মিয়াসহ আরও অনেকে বলেন, স্লইচ গেট পাদদেশে ভাঙন কবলিত স্থানটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছিল। কিন্তু কেউই কর্ণপাত করেনি। বাধ্য হয়ে আমরা নিজের টাকা ও শ্রমে ভাঙনটি মেরামত শুরু করছি।

স্লুইচ গেটটি ঝুঁকিতে থাকার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম ওয়াদুদ জাগো২৪.নেট-কে জানান, ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্ষন করা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভাঙন ঠেকায়নি সংশ্লিষ্টরা, মেরামতের চেষ্টায় এলাকাবাসী

প্রকাশের সময়: ০৬:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুন ২০২২

তোফায়েল ও মাসুদঃ কাঁচা রাস্তার মাঝে স্লুইচ গেট। এর পাদদেশে সৃষ্টি হয় ভাঙন। ঝুঁকি নিয়ে চলছিলেন মানুষ। এই ভাঙন ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন তারা। কিন্তু কেউ শোনেনি ভুক্তভোগিদের কথা। অবশেষে এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙনটি ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে এমনি এক চিত্র দেখা গেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট ব্রিজ-কামারপাড়া কাঁচা রাস্তার খামার বাগচী ও পুরানলক্ষীপুর সীমান্তবর্তী  গ্রামে। এখানকার স্লুইচ গেট ঘেঁসে সৃষ্টি হওয়া বিশালাকৃতির ওই গর্তে মাটিভরাট কাজে ব্যস্ত ছিলেন স্থানীয় জনসাধারণ।

তারা জানায়, কৃষি ফসল রক্ষায় কয়েক যুগ আগে ওই স্থানে নির্মিত হয় স্লুইচ গেট। এরই মধ্যে গেটটি ঘেঁষে রাস্তার নিচে একটি সুড়ঙ্গ (গর্ত) সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতেও হালকা যানবাহন ও হেঁটে সুড়ঙ্গটির ওপর দিয়ে মানুষ চলাফেরা করছিলেন।

এতে করে মাটি ধসে যে কোন মুহূর্তে প্রাণহানীর সম্ভাবনা দেখা দেয়। এছাড়া অতি ঝুঁকিতে ছিল স্লুইচ গেট। দ্রুত সড়ঙ্গে মাটিভরাট না করা হলে পানির চাপে নদীগর্ভে বিলীন হতো এই গেটটি। সেই সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগসহ পানিতে তলিয়ে যেতো সহস্রাধিক হেক্টর কৃষি ফসল। বিদ্যমান পরিস্থিতে আশপাশের প্রায় ১৫ গ্রামের মানুষ চরম দুশ্চিন্তায় পড়ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল, নাজমুল, সুজন ও ফিরোজ মিয়াসহ আরও অনেকে বলেন, স্লইচ গেট পাদদেশে ভাঙন কবলিত স্থানটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছিল। কিন্তু কেউই কর্ণপাত করেনি। বাধ্য হয়ে আমরা নিজের টাকা ও শ্রমে ভাঙনটি মেরামত শুরু করছি।

স্লুইচ গেটটি ঝুঁকিতে থাকার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম ওয়াদুদ জাগো২৪.নেট-কে জানান, ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্ষন করা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।