গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শামীম মিয়াকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এসময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম করাসহ মোটরসাইকেল, অফিসের চাবি ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে হামলাকারীরা।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিছানায় কাতরাতে দেখা গেছে ওই শামীম মিয়াকে। তিনি উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের মাজমপুর গ্রামের মোজাহার আলীর ছেলে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে সাদুল্লাপুর অফিসের দিকে রওনা হয়। পথিমধ্যে ইদিলপুর-কৃষ্ণপুর মোড়ে পৌঁছালে পুর্বথেকে ওঁৎপেতে থাকা কৃষ্ণপুর গ্রামের মফসেল আলীর ছেলে এনামুল, ইয়াকুব, রোস্তমসহ আরও অনেকে লাঠি-রড উচিয়ে তাকে পথরোধ করে। এসময় শাজাহান আলী নামের এক ব্যক্তির হুকুমে শামীম মিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে বেধরক পিটাতে থাকে। তাকে মারাত্নক আহত করে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, অফিসের চাবি ও নগদ এক লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এরপর শামীমের আত্নচিৎকারে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শামীম মিয়াকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।
এবিষয়ে আহত শামীম মিয়া বলেন, আমি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে নিরাপ্তাপ্রহরী পদে চাকরি করি। বুধবার বিকেলে মোটরসাইকেল যোগে অফিসে যাওয়ার সময় শাজাহান আলী নামের এক ব্যক্তির হুকুমে আমাকে মারপিট করে। সেই সঙ্গে মেয়েজামাই তৈয়ুবুর রহমানকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য সেই টাকা কাছে রাখি। হামলাকারীরা আমার ওইসব টাকা, মোটরসাইকেল ও অফিসের চাবি ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়েছে ।
সাদুল্লাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এইমাত্র ঘটনাটি অবগত হলাম। এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 

















