মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, আউশ, বীজতলা, চীনা বাদামসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত।
এছাড়া উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে নদ-নদী ও খাল-বিল পানিতে ভরে গেছে। হু-হু করে বাড়ছে বানের পানি। চরাঞ্চলের নিমজ্জিত ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উঁচু এলাকায় ঢুকে পড়ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫শ পরিবারের ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিতে বন্দি থাকা পরিবারের সদস্যরা জানান,আমরা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছি, নৌকাযোগে বাজার করতে হচ্ছে,আমরা এখন পর্যন্ত সরকারের কোন ত্রান পাইনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মণ্ডল জানান, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এর মধ্যে তারাপুর ইউনিয়নের ৩ গ্রামের ১৫০ পরিবার, বেলকা ইউনিয়নের ৪ গ্রামের ৩০০, হরিপুর ইউনিয়নের ৫ গ্রামের ৪০০, শ্রীপুর ইউনিয়নের ২ গ্রামের ২০০, চন্ডিপুর ইউনিয়নের ২ গ্রামের ২০০ ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৭ গ্রামের ৮০০ পরিবারের ৬ হাজার ১৫০ জন মানুষ পানিবন্দি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাশিদুল কবির জাগো২৪.নেট-কে জানান, সব মিলে ৮১৫ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে পাট ৫১০ হেক্টর, আমন বীজতলা ৪০ হেক্টর, আউশ ৭০ হেক্টর, শাক-সবজি ৬০ হেক্টর, তিল ৪৫ হেক্টর, মরিচ ৩০ হেক্টর ও চীনা বাদাম ৬০ হেক্টর।

সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

প্রকাশের সময়: ০৭:৫৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুন ২০২২
সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, আউশ, বীজতলা, চীনা বাদামসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত।
এছাড়া উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে নদ-নদী ও খাল-বিল পানিতে ভরে গেছে। হু-হু করে বাড়ছে বানের পানি। চরাঞ্চলের নিমজ্জিত ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উঁচু এলাকায় ঢুকে পড়ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫শ পরিবারের ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিতে বন্দি থাকা পরিবারের সদস্যরা জানান,আমরা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছি, নৌকাযোগে বাজার করতে হচ্ছে,আমরা এখন পর্যন্ত সরকারের কোন ত্রান পাইনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মণ্ডল জানান, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এর মধ্যে তারাপুর ইউনিয়নের ৩ গ্রামের ১৫০ পরিবার, বেলকা ইউনিয়নের ৪ গ্রামের ৩০০, হরিপুর ইউনিয়নের ৫ গ্রামের ৪০০, শ্রীপুর ইউনিয়নের ২ গ্রামের ২০০, চন্ডিপুর ইউনিয়নের ২ গ্রামের ২০০ ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৭ গ্রামের ৮০০ পরিবারের ৬ হাজার ১৫০ জন মানুষ পানিবন্দি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাশিদুল কবির জাগো২৪.নেট-কে জানান, সব মিলে ৮১৫ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে পাট ৫১০ হেক্টর, আমন বীজতলা ৪০ হেক্টর, আউশ ৭০ হেক্টর, শাক-সবজি ৬০ হেক্টর, তিল ৪৫ হেক্টর, মরিচ ৩০ হেক্টর ও চীনা বাদাম ৬০ হেক্টর।