সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে পাট, আউশ, বীজতলা, চীনা বাদামসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেত।
এছাড়া উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে নদ-নদী ও খাল-বিল পানিতে ভরে গেছে। হু-হু করে বাড়ছে বানের পানি। চরাঞ্চলের নিমজ্জিত ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উঁচু এলাকায় ঢুকে পড়ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫শ পরিবারের ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিতে বন্দি থাকা পরিবারের সদস্যরা জানান,আমরা অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছি, নৌকাযোগে বাজার করতে হচ্ছে,আমরা এখন পর্যন্ত সরকারের কোন ত্রান পাইনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মণ্ডল জানান, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০ পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এর মধ্যে তারাপুর ইউনিয়নের ৩ গ্রামের ১৫০ পরিবার, বেলকা ইউনিয়নের ৪ গ্রামের ৩০০, হরিপুর ইউনিয়নের ৫ গ্রামের ৪০০, শ্রীপুর ইউনিয়নের ২ গ্রামের ২০০, চন্ডিপুর ইউনিয়নের ২ গ্রামের ২০০ ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৭ গ্রামের ৮০০ পরিবারের ৬ হাজার ১৫০ জন মানুষ পানিবন্দি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাশিদুল কবির জাগো২৪.নেট-কে জানান, সব মিলে ৮১৫ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে পাট ৫১০ হেক্টর, আমন বীজতলা ৪০ হেক্টর, আউশ ৭০ হেক্টর, শাক-সবজি ৬০ হেক্টর, তিল ৪৫ হেক্টর, মরিচ ৩০ হেক্টর ও চীনা বাদাম ৬০ হেক্টর।

বিপুল ইসলাম আকাশ, করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) 

















