রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হেঁটে ভ্রমণ করা গাইবান্ধার সেই বাবা-ছেলে এখন জাফলংয়ে

দেশের বিভিন্ন পথ হেঁটে ভ্রমণের আলোচিত ব্যক্তি গাইবান্ধার সাদেক আলী সরদার (৬৭)। আর সফর সঙ্গী হয়েছে তারই ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৭)। এই বাবা-ছেলে দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় দীর্ঘ পথ হেঁটেই ঘুরছেন। এখন সিলেট থেকে হেঁটে রওনা দিয়েছেন জাফলংয়ের উদ্দেশ্য।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) ভোর বেলায় সিলেট থেকে জাফলংয়ের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছেন তারা। এই সড়কের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার হবে বলে জানিয়েছেন এই ভ্রমণপিপাসুরা। তাদের ৪১ তম যাত্রায় এ পর্যন্ত হাঁটলেন দেড় হাজার কিলোমিটার।

জানা যায়, গাইবান্ধা শহরের বাসিন্দা সাদেক আলী সরদার। চাকরি করছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। ইতিমধ্যে ২০০৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন। এখানে চাকরি করার সুবাদে শরীর চর্চার অভ্যাসটুকু রয়েছে তার। এ থেকে স্বপ্ন দেখেন বিশাল লম্বা পথ হেঁটে পাড়ি দিবেন কোন একটি স্থানে। সেই জায়গায় যাওয়ার আগেই শুরু করছেন হেঁটে চলার অনুশীলন। সফর সঙ্গী হিসেবে যোগ দিয়েছেন তার ছেলে মোস্তাফিজুর।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর গাইবান্ধা সাদেক চত্বর থেকে স্থানীয় ফুলছড়ি থানা চত্বর পর্যন্ত প্রথম পথ হাঁটা শুরু করেন। এখানে প্রাথমিকভাবে ২৮ কিলোমিটার হাঁটছেন তারা। এরপর পর্যায়ক্রমে গাইবান্ধা থেকে দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, পঞ্চগড়, হিলি স্থলবন্দরসহ আরও বেশ কিছু স্থানে পদার্পণ করে। ওইসব স্থানগুলোতে তারা দেখছেন দেশের নানা ইতিহাস-ঐতিহ্য।

সম্প্রত গাইবান্ধা থেকে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা পর্যন্ত টানা ২২৬ কিলোমিটার হেঁটে যাওয়াসহ আজ শুক্রবার (২৬ আগস্ট) সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার পথ রওনা দিয়েছে। ধারাবাহিকভাবে সর্বমোট  এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন ওই বাবা-ছেলে। দেশের অন্যান্য ব্যক্তির হাঁটার ইতিহাসে সাদেক আলী ও মোস্তাফিুর সেটির রেকর্ড ভেঙেছে।

বাবার ভ্রমণসঙ্গী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাবার স্বপ্নপরণে আমিও সঙ্গী হয়েছি তার। এতে করে বাবা-ছেলে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক অটুট থাকবে।

এই ভ্রমণের অন্যতম ব্যক্তি সাদেক আলী সরদার জানান, ওইসব স্থান বাদে আরও লম্বা পথ পাড়ি দেওয়ার স্বাদ দীর্ঘদিনে। তাই পা-গুলোকে বাহন হিসেবে হেঁটে চলা শুরু করা করা হয়েছে। তবে তার মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য জানাতে নারাজ ছিলেন তিনি।

 

 

হেঁটে ভ্রমণ করা গাইবান্ধার সেই বাবা-ছেলে এখন জাফলংয়ে

প্রকাশের সময়: ০৪:১৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

দেশের বিভিন্ন পথ হেঁটে ভ্রমণের আলোচিত ব্যক্তি গাইবান্ধার সাদেক আলী সরদার (৬৭)। আর সফর সঙ্গী হয়েছে তারই ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৭)। এই বাবা-ছেলে দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় দীর্ঘ পথ হেঁটেই ঘুরছেন। এখন সিলেট থেকে হেঁটে রওনা দিয়েছেন জাফলংয়ের উদ্দেশ্য।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) ভোর বেলায় সিলেট থেকে জাফলংয়ের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছেন তারা। এই সড়কের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার হবে বলে জানিয়েছেন এই ভ্রমণপিপাসুরা। তাদের ৪১ তম যাত্রায় এ পর্যন্ত হাঁটলেন দেড় হাজার কিলোমিটার।

জানা যায়, গাইবান্ধা শহরের বাসিন্দা সাদেক আলী সরদার। চাকরি করছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। ইতিমধ্যে ২০০৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন। এখানে চাকরি করার সুবাদে শরীর চর্চার অভ্যাসটুকু রয়েছে তার। এ থেকে স্বপ্ন দেখেন বিশাল লম্বা পথ হেঁটে পাড়ি দিবেন কোন একটি স্থানে। সেই জায়গায় যাওয়ার আগেই শুরু করছেন হেঁটে চলার অনুশীলন। সফর সঙ্গী হিসেবে যোগ দিয়েছেন তার ছেলে মোস্তাফিজুর।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর গাইবান্ধা সাদেক চত্বর থেকে স্থানীয় ফুলছড়ি থানা চত্বর পর্যন্ত প্রথম পথ হাঁটা শুরু করেন। এখানে প্রাথমিকভাবে ২৮ কিলোমিটার হাঁটছেন তারা। এরপর পর্যায়ক্রমে গাইবান্ধা থেকে দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, পঞ্চগড়, হিলি স্থলবন্দরসহ আরও বেশ কিছু স্থানে পদার্পণ করে। ওইসব স্থানগুলোতে তারা দেখছেন দেশের নানা ইতিহাস-ঐতিহ্য।

সম্প্রত গাইবান্ধা থেকে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা পর্যন্ত টানা ২২৬ কিলোমিটার হেঁটে যাওয়াসহ আজ শুক্রবার (২৬ আগস্ট) সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার পথ রওনা দিয়েছে। ধারাবাহিকভাবে সর্বমোট  এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন ওই বাবা-ছেলে। দেশের অন্যান্য ব্যক্তির হাঁটার ইতিহাসে সাদেক আলী ও মোস্তাফিুর সেটির রেকর্ড ভেঙেছে।

বাবার ভ্রমণসঙ্গী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাবার স্বপ্নপরণে আমিও সঙ্গী হয়েছি তার। এতে করে বাবা-ছেলে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক অটুট থাকবে।

এই ভ্রমণের অন্যতম ব্যক্তি সাদেক আলী সরদার জানান, ওইসব স্থান বাদে আরও লম্বা পথ পাড়ি দেওয়ার স্বাদ দীর্ঘদিনে। তাই পা-গুলোকে বাহন হিসেবে হেঁটে চলা শুরু করা করা হয়েছে। তবে তার মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য জানাতে নারাজ ছিলেন তিনি।