হারিয়ে যাওয়ার ৮ বছর পর কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরলেন গাইবান্ধার মেয়ে ফেলানী। ২০১৩ সালে স্বামীর নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে প্রথমে কলকাতার কারাগারে এবং পরে একটি মানবাধিকার সংস্থার আশ্রয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে অনেক চেষ্টা আর নানাভাবে যোগাযোগ করে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে দেশে।
এক সন্তানকে নিয়ে সুখেই ছিলেন গাইবান্ধা সদরের লক্ষ্মীপুরের মেয়ে সাজেদা আক্তার ফেলানী। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের পরই ফেলানীর জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। স্বামীর নির্যাতনে মানসিক ভারসাম্য হারানো ফেলানী ২০১৩ সালে চলে যান ভারত। সেখানে তার ঠাঁই হয় কলকাতা কারাগারে।
তিন বছর কারাভোগের পর ২০১৬ সালে জেল থেকে মুক্ত করে ফেলানীকে আশ্রয় দেয় সেখানকার মানবাধিকার সংস্থা। এরপরই তাকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
সমাজসেবী জহুরুল কাইয়ুম বলেন,’একটা মানুষের জন্য অন্তত কিছু একটা করতে পারলাম। আমার সহযোগীতায় ফেলানী পরিবারের কাছে ফিরে আসলো। তার চাচা আব্দুল লতিফ তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।’
হারিয়ে যাওয়ার আট বছর পর ফেলানীকে ফিরে পাওয়ায় খুশি স্বজনরা। তাকে এক নজর দেখত ভিড় করেছেন আশপাশের এলাকার মানুষও।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 













