সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধন 

ইঁদুরের দিন হবে শেষ,গড়বো সোনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে লালমনিরহাটে উদ্বোধন হলো  জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান- ২০২৩।
সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামারবাড়ি লালমনিরহাটের আয়োজনে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আলীনুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) আবু জাফর মোঃ সাদেক, লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার হাসিনুর রহমান, কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শামীমা ইয়াসমিন, লালমনিরহাট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে। এছাড়া কৃষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রংপুর অঞ্চলের পুরুষ্কার প্রাপ্ত ইঁদুর নিধনকারী কৃষক জহিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ইঁদুর একটি চতুর ও নীরব ধ্বংসকারী স্তন্যপায়ী প্রাণী। ইঁদুর প্রাণীটি ছোট হলেও ক্ষতির ব্যাপকতা অনেক। এরা যে কোনো খাদ্য খেয়ে বাঁচতে পারে। যে কোনো পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে।
এদের মলমূত্র, লোম খাদ্য দ্রব্যের সাথে মিশে টাইফয়েড, জন্ডিস, চর্মরোগ ক্রিমিরোগসহ ১৩ ধরনের রোগ ছড়ায়। প্লেগ নামক মারাত্মক রোগের বাহক হচ্ছে ইঁদুর। ইঁদুর মাঠের ও ঘরের শস্য নষ্ট ছাড়াও বৈদ্যুতিক তার, টেলিফোন তার, কম্পিউটার যন্ত্র কেটে নষ্ট করে। এছাড়া বড় সড়ক বাধ, রেললাইনে গর্ত করে তা ক্ষতিগ্রস্ত করে। বন্যার পানি ঢুকে তা নষ্ট হয়। এ জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ণয় করা কঠিন।
ইরির ২০১৩ সালের এক গবেষণা মতে, এশিয়ায় ইঁদুর বছরে যা ধান-চাল খেয়ে নষ্ট করে তা ১৮ কোটি মানুষের এক বছরের খাবারের সমান। আর শুধু বাংলাদেশে ইঁদুর ৫০-৫৪ লাখ লোকের এক বছরের খাবার নষ্ট করে

লালমনিরহাটে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধন 

প্রকাশের সময়: ০৭:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৩
ইঁদুরের দিন হবে শেষ,গড়বো সোনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে লালমনিরহাটে উদ্বোধন হলো  জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান- ২০২৩।
সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামারবাড়ি লালমনিরহাটের আয়োজনে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আলীনুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) আবু জাফর মোঃ সাদেক, লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষি অফিসার হাসিনুর রহমান, কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শামীমা ইয়াসমিন, লালমনিরহাট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে। এছাড়া কৃষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রংপুর অঞ্চলের পুরুষ্কার প্রাপ্ত ইঁদুর নিধনকারী কৃষক জহিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ইঁদুর একটি চতুর ও নীরব ধ্বংসকারী স্তন্যপায়ী প্রাণী। ইঁদুর প্রাণীটি ছোট হলেও ক্ষতির ব্যাপকতা অনেক। এরা যে কোনো খাদ্য খেয়ে বাঁচতে পারে। যে কোনো পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে।
এদের মলমূত্র, লোম খাদ্য দ্রব্যের সাথে মিশে টাইফয়েড, জন্ডিস, চর্মরোগ ক্রিমিরোগসহ ১৩ ধরনের রোগ ছড়ায়। প্লেগ নামক মারাত্মক রোগের বাহক হচ্ছে ইঁদুর। ইঁদুর মাঠের ও ঘরের শস্য নষ্ট ছাড়াও বৈদ্যুতিক তার, টেলিফোন তার, কম্পিউটার যন্ত্র কেটে নষ্ট করে। এছাড়া বড় সড়ক বাধ, রেললাইনে গর্ত করে তা ক্ষতিগ্রস্ত করে। বন্যার পানি ঢুকে তা নষ্ট হয়। এ জন্য এর ক্ষতির পরিমাণ পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ণয় করা কঠিন।
ইরির ২০১৩ সালের এক গবেষণা মতে, এশিয়ায় ইঁদুর বছরে যা ধান-চাল খেয়ে নষ্ট করে তা ১৮ কোটি মানুষের এক বছরের খাবারের সমান। আর শুধু বাংলাদেশে ইঁদুর ৫০-৫৪ লাখ লোকের এক বছরের খাবার নষ্ট করে