সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির বাবার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত

ছবি: বামে মরহুম এমদাদুল হক সরকার ও ডানে তার ছেলে রাজু আহমেদ

কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাজু আহমেদের বাবা এমদাদুল হক সরকারের (৮১) জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নামাজ শেষে কুড়িগ্রাম পৌর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা করা হয়।

রোববার (২২ অক্টোবর ) বাদ জোহর কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদ মাঠে জানাজা নামাজে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলামসহ কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।এছাড়া আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা এ জানাযায় নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে শনিবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

স্বজনরা জানায়, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাজু আহমেদের বাবা ফায়ার সার্ভিসের কর্মরত ছিলেন। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ইয়াসমিন ও রাজু আহমেদ  ও আব্দুর রহিম নামে দুই ছেলে রেখে গেছেন। পরিবারের মেঝো ছেলে মো. রাজু আহমেদ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি,  ছোট ছেলে পড়াশোনায় আর বড় মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। বাবাকে হারিয়ে ওই পরিবারটিতে শোকের ছায়া নেমেছে।

দাফন শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দুআ ও মোনাজাত করেন স্বজনরা।

কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির বাবার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময়: ০৬:০৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩

কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাজু আহমেদের বাবা এমদাদুল হক সরকারের (৮১) জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নামাজ শেষে কুড়িগ্রাম পৌর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা করা হয়।

রোববার (২২ অক্টোবর ) বাদ জোহর কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদ মাঠে জানাজা নামাজে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলামসহ কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।এছাড়া আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা এ জানাযায় নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে শনিবার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

স্বজনরা জানায়, কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাজু আহমেদের বাবা ফায়ার সার্ভিসের কর্মরত ছিলেন। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ইয়াসমিন ও রাজু আহমেদ  ও আব্দুর রহিম নামে দুই ছেলে রেখে গেছেন। পরিবারের মেঝো ছেলে মো. রাজু আহমেদ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি,  ছোট ছেলে পড়াশোনায় আর বড় মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন। বাবাকে হারিয়ে ওই পরিবারটিতে শোকের ছায়া নেমেছে।

দাফন শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দুআ ও মোনাজাত করেন স্বজনরা।