সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে দুর্গোৎসবের পরিসমাপ্তি 

লালমনিরহাটে বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকালে দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে বিদায় জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। পরে বিকাল ৪ টা থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এ প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের দুড়াকুটি রত্নাই নদীর স্বর্গদার মহাশ্মশান ঘাটে লালমনিরহাট দুড়াকুটি, মোগলহাট প্রতিমা বিসর্জন কমিটির আয়োজনে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত উৎসবে প্রতিমা বিসর্জন কমিটির সভাপতি বাবু সুদীপ্ত কুমার রায় শিবুর সভাপতিত্বে এবং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন, লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লতিফা বেগম লাকী, বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদ লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি বাবু হীরা লাল রায়,বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ – খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু শৈলেন্দ্র কুমার রায়, বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ – খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ লালমনিরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. বিধুভুষণ রায় সাবু, বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ – খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ মোগলহাট ইউনিয়নের সভাপতি প্রভাষক বাবু মনোরঞ্জন বর্মন অমল। এ সময় প্রতিমা বিসর্জন কমিটির সহসভাপতি বিনয় কৃষ্ণ রায়সহ ভক্ত সাধারণবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে দুর্গোৎসবের পরিসমাপ্তি 

প্রকাশের সময়: ০৭:১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
লালমনিরহাটে বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সকালে দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে বিদায় জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। পরে বিকাল ৪ টা থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এ প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের দুড়াকুটি রত্নাই নদীর স্বর্গদার মহাশ্মশান ঘাটে লালমনিরহাট দুড়াকুটি, মোগলহাট প্রতিমা বিসর্জন কমিটির আয়োজনে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত উৎসবে প্রতিমা বিসর্জন কমিটির সভাপতি বাবু সুদীপ্ত কুমার রায় শিবুর সভাপতিত্বে এবং মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন, লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লতিফা বেগম লাকী, বাংলাদেশ পূজা উৎযাপন পরিষদ লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি বাবু হীরা লাল রায়,বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ – খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু শৈলেন্দ্র কুমার রায়, বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ – খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ লালমনিরহাট সদর উপজেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. বিধুভুষণ রায় সাবু, বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ – খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ মোগলহাট ইউনিয়নের সভাপতি প্রভাষক বাবু মনোরঞ্জন বর্মন অমল। এ সময় প্রতিমা বিসর্জন কমিটির সহসভাপতি বিনয় কৃষ্ণ রায়সহ ভক্ত সাধারণবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।