সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে ৭ বছরেও হয়নি ৩ সাঁওতাল হত্যার বিচার

‘সাঁওতাল হত্যা দিবস’ উপলক্ষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটামোড় এলাকায় নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার (৬ নভেম্বর) এ কর্মসূচিতে সাঁওতালপল্লীর মাদারপুর ও জয়পুর গ্রাম থেকে সাঁওতালদের ঐতিহ্য তির-ধনুক, কালো পতাকা, ব্যানার, বিভিন্ন দাবিদাওয়া সংবলিত ফেস্টুন নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

তিন সাঁওতাল হত্যা, সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্মের জমিতে তোলা বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগের বিচারের দাবিতে সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, আদিবাসী-বাঙালী সংহতি পরিষদ, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ ও জনউদ্যোগ গাইবান্ধা যৌথভাবে এসব কর্মসূচি পালন করে।

সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নরেন পাহান, বাসদ নেতা জয়নাল আবেদীন মুকুল, আদিবাসী নেতা বিমল খালকো, অগস্টিন মিনজী প্রমুখ।

বক্তারা সাঁওতাল হত্যার বিচার, আসামিদের গ্রেপ্তার, গুলিতে আহত সাঁওতাল, বাড়ী ঘরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাঁওতালদের ক্ষতিপূরণ ও সাঁওতালদের রক্তভেজা তিন ফসলি জমিতে ইপিজেড নির্মাণ বন্ধের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বরের ঘটনার পর থেকে নির্যাতনের শিকার আদিবাসী সাঁওতালরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। গৃহহীন হয়ে তারা অসহায় দিনাতিপাত করছে। আহতরা চিকিৎসার অভাবে কেউ পঙ্গু, কেউ শরীরে গুলির প্রিন্টার নিয়ে অসহ্য যন্ত্রনায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। সে সময় থেকে সরকারের পক্ষ থেকে নানা আশ্বাসের বাণী শোনালেও এখন পর্যন্ত তার কোনটিই আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

গোবিন্দগঞ্জে ৭ বছরেও হয়নি ৩ সাঁওতাল হত্যার বিচার

প্রকাশের সময়: ০৪:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

‘সাঁওতাল হত্যা দিবস’ উপলক্ষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটামোড় এলাকায় নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার (৬ নভেম্বর) এ কর্মসূচিতে সাঁওতালপল্লীর মাদারপুর ও জয়পুর গ্রাম থেকে সাঁওতালদের ঐতিহ্য তির-ধনুক, কালো পতাকা, ব্যানার, বিভিন্ন দাবিদাওয়া সংবলিত ফেস্টুন নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

তিন সাঁওতাল হত্যা, সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্মের জমিতে তোলা বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগের বিচারের দাবিতে সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, আদিবাসী-বাঙালী সংহতি পরিষদ, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ ও জনউদ্যোগ গাইবান্ধা যৌথভাবে এসব কর্মসূচি পালন করে।

সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ফিলিমন বাস্কের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নরেন পাহান, বাসদ নেতা জয়নাল আবেদীন মুকুল, আদিবাসী নেতা বিমল খালকো, অগস্টিন মিনজী প্রমুখ।

বক্তারা সাঁওতাল হত্যার বিচার, আসামিদের গ্রেপ্তার, গুলিতে আহত সাঁওতাল, বাড়ী ঘরে লুটপাট, অগ্নিসংযোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাঁওতালদের ক্ষতিপূরণ ও সাঁওতালদের রক্তভেজা তিন ফসলি জমিতে ইপিজেড নির্মাণ বন্ধের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বরের ঘটনার পর থেকে নির্যাতনের শিকার আদিবাসী সাঁওতালরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। গৃহহীন হয়ে তারা অসহায় দিনাতিপাত করছে। আহতরা চিকিৎসার অভাবে কেউ পঙ্গু, কেউ শরীরে গুলির প্রিন্টার নিয়ে অসহ্য যন্ত্রনায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। সে সময় থেকে সরকারের পক্ষ থেকে নানা আশ্বাসের বাণী শোনালেও এখন পর্যন্ত তার কোনটিই আজও বাস্তবায়ন হয়নি।