সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিহত যুবলীগ নেতার ২ সন্তানের দায়িত্ব নিলেন কেন্দ্রীয় নেতা সুমন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দৃর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম (৩৮)। তার রেখে যাওয়া দুই শিশু সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ছাইতানতলা বাজারে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই ঘোষণা দেন তিনি।

এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মতিউর রহমান বাদশা।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান লিটুর অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিসেস আফরুজা বারী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু, জেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার মো. শাহীদ হাসান লোটন, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আসহান হাবিব রাজিব, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন, সৈয়দ নিয়ামুল ইসলাম নিয়ন, আজমীর শেখ, নিহত জাহিদুল ইসলামের বাবা আবুল হোসেন মেম্বার প্রমূখ।

এসময় যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন  নিহত জাহিদুল ইসলামের ৪ বছর বয়সী ছেলে ও  বয়স ৮ মাস বয়সী মেয়ের ভবিষ্যৎ পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (১২ নভেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও পশ্চিম বৈদ্যনাথ গ্রামের আবুল হোসেন মেম্বারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও কবির মিয়া মোটরসাইকেলে করে বামনডাঙ্গা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা সড়কের শাখা মারা ব্রিজ এলাকায় এলে সাত-আটজন তাদের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহিদুলের হাত-পায়ের রগ কেটে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। এরমধ্যে জাহিদুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তির পর অতিরিক্ত  রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত যুবলীগ নেতার ২ সন্তানের দায়িত্ব নিলেন কেন্দ্রীয় নেতা সুমন

প্রকাশের সময়: ১০:১৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দৃর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম (৩৮)। তার রেখে যাওয়া দুই শিশু সন্তানের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ছাইতানতলা বাজারে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই ঘোষণা দেন তিনি।

এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মতিউর রহমান বাদশা।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান লিটুর অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিসেস আফরুজা বারী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু, জেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার মো. শাহীদ হাসান লোটন, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আসহান হাবিব রাজিব, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন, সৈয়দ নিয়ামুল ইসলাম নিয়ন, আজমীর শেখ, নিহত জাহিদুল ইসলামের বাবা আবুল হোসেন মেম্বার প্রমূখ।

এসময় যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি’র সদস্য রফিকুল ইসলাম সুমন  নিহত জাহিদুল ইসলামের ৪ বছর বয়সী ছেলে ও  বয়স ৮ মাস বয়সী মেয়ের ভবিষ্যৎ পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, রোববার (১২ নভেম্বর) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও পশ্চিম বৈদ্যনাথ গ্রামের আবুল হোসেন মেম্বারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও কবির মিয়া মোটরসাইকেলে করে বামনডাঙ্গা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা সড়কের শাখা মারা ব্রিজ এলাকায় এলে সাত-আটজন তাদের গতিরোধ করে হামলা চালায়। এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জাহিদুলের হাত-পায়ের রগ কেটে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। এরমধ্যে জাহিদুল ইসলামের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ভর্তির পর অতিরিক্ত  রক্তক্ষরণ হওয়ায় তার মৃত্যু হয়।