প্রাচীনকাল থেকে গ্রামবাংলায় নবান্নের উৎসব পালন করে আসছিল। এসময় মেয়েজামাই আর আত্নীয়দের নিয়ে নতুন চালের পিঠা-পায়েস ও পোলাও রান্না করে ধুমধামে খাওয়া হতো। কিন্তু সেই প্রথা যেনো ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল নামের এই প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের নিয়ে আয়োজন করে নবান্নের উৎসব। এ মুহূর্তে পিঠাপুলিতে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে শতাধিক শিশু।
বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ওই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান পরিচালকের পরিচালনায় এই উৎসব পালন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পলাশবাড়ী পৌর মেয়র গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লবের পত্নী জান্নাতুল ফেরদৌস। উৎসবমুখর পরিবেশে সাড়ে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষক মন্ডলীদের মধ্যে নবান্ন উৎসবের শীতের উপকরণ বিভিন্ন ধরনের পিঠা, পায়েশ, মুড়ি, মুড়কি খাওয়ার ধুম পরে। গ্রাম বাংলার চিরচারিত ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে আনজুয়ারা বেগম নামের অভিভাবক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যতিক্রমধর্মী এমন আয়োজনে বেশ প্রশংসনীয় এবং গর্বের বিষয়। আমরা অনেক আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসেও বাচ্চাদের সাথে নবান্ন উৎসব পালন করতে পেরেছি।
হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক জামিউল ইসলাম জাহিদ জানায়, শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বহন করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।

স্কুলের পরিচালক মতিয়ার রহমান লাভলু জাগো২৪.নেট-কে বলেন, হোপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের সু শিক্ষায় শিক্ষিত করতে প্রতি বছর নিত্যনতুন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবান্ন উৎসব পালন করছি। আর এটা আমাদের বড়ো অর্জন।
স্টাফ করেসপন্ডেন্টে, জাগো২৪.নেট 



















