রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থেমেছে শিশুর দূরন্তপনা, বাঁচাতে বাবা-মায়ের আকুতি

রোকসানা খাতুন রিমা (১০) । লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, হৈহুলোড় অন্ত ছিলো না। সারাক্ষণ ঘর-আঙ্গিনা থেকে ছুটেচলা অন্যের বাড়িতেও। যেন আনন্দময় শৈশবে মাতিয়ে দিতো বাবা-মাসহ প্রতিবেশীদের। এরই মধ্যে থমকে গেছে তার দূরন্তপনা। বর্তমানে সে দুরারোগ্য টিউমার ক্যান্সারে আক্রান্তে গৃহবন্দি হয়ে পড়ছে। এই সন্তানকে উন্নত চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ করার দানশীলদের প্রতি আকুতি জানিয়েছে রুস্তম আলী শেখ ও কোহিনুর বেগম দম্পতি।

সম্প্রতি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের ফতেউল্লাপুর গ্রামে ছিন্নমুল পরিবারে দুশ্চিন্তায় দেখা যায় শিশুর বাবা-মাকে। বিষয়টি জানতে চাইলে হাউ-মাউ করে কেঁদে ওঠেন ওই দম্পতি।

স্থানীয়রা জানান, ফতেউল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা রোস্তম আলী শেখ পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোনমতো জীবিকা নির্বাহ তার। দাম্পত্য জীবনে একমাত্র কন্যা রিমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিলো রোস্তমের। এরই মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির এ শিশুটির শরীরে ৮ মাস আগে টিউমার ক্যান্সার ধরে পড়ে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মিজানুর রহমান শিবলী এ রোগটি সনাক্ত করেন। এতে চিকিৎসাসেবায় প্রায় পৌনে ২ লাখ টাকা ব্যয় করেছে রিকশা চালক বাবা রোস্তম আলী শেখ। ইতোমধ্যে নিজের গরু-ছাগল বিক্রি করাসহ বিভিন্ন এনজিও সংস্থার ঋণ নিয়ে চিকিৎসা চালানো হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে একদম নিঃশ্ব হয়ে পথে বসেছে রোস্তম শেখ। এদিকে সন্তানের যতই দিন যাচ্ছে ততই অসুস্থতা বেশী দেখা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছে শিশুটির দেশের বাহিরে চিকিৎসা দরকার। এতে ব্যয়বহুল খরচ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছি পরিবারটির। এখন সন্তানকে বাঁচাতে মানুষের কাছে সাহায্যের আকুতি করছে তারা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে অসুস্থ শিশুর বাবা রোস্তম আলী শেখ কান্নাজড়িতে কন্ঠে জানান, অভাব-অনটনের সংসার তার। তাদের নুন আনতে পান্তা ফুড়ায়। এ যেন মড়ার ওপর খাড়ার ঘা।

তিনি আরও বলেন, আমার একমাত্র অবুঝ মেয়ের দিকে তাকালে চোখের পানি আটকাতে পারি না। এখন টাকার অভাবে ওর চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়েছে। সবাই যদি মানবিক সহায়তা করতেন, তাহলে হয়তো সন্তানকে সুস্থতা করা সম্ভব। সহযোগিতায় বিকাশ নাম্বার ( রুস্তম) ০১৭৫৭-৮৬২০৮১।

থেমেছে শিশুর দূরন্তপনা, বাঁচাতে বাবা-মায়ের আকুতি

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩

রোকসানা খাতুন রিমা (১০) । লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, হৈহুলোড় অন্ত ছিলো না। সারাক্ষণ ঘর-আঙ্গিনা থেকে ছুটেচলা অন্যের বাড়িতেও। যেন আনন্দময় শৈশবে মাতিয়ে দিতো বাবা-মাসহ প্রতিবেশীদের। এরই মধ্যে থমকে গেছে তার দূরন্তপনা। বর্তমানে সে দুরারোগ্য টিউমার ক্যান্সারে আক্রান্তে গৃহবন্দি হয়ে পড়ছে। এই সন্তানকে উন্নত চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ করার দানশীলদের প্রতি আকুতি জানিয়েছে রুস্তম আলী শেখ ও কোহিনুর বেগম দম্পতি।

সম্প্রতি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের ফতেউল্লাপুর গ্রামে ছিন্নমুল পরিবারে দুশ্চিন্তায় দেখা যায় শিশুর বাবা-মাকে। বিষয়টি জানতে চাইলে হাউ-মাউ করে কেঁদে ওঠেন ওই দম্পতি।

স্থানীয়রা জানান, ফতেউল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা রোস্তম আলী শেখ পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোনমতো জীবিকা নির্বাহ তার। দাম্পত্য জীবনে একমাত্র কন্যা রিমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিলো রোস্তমের। এরই মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির এ শিশুটির শরীরে ৮ মাস আগে টিউমার ক্যান্সার ধরে পড়ে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মিজানুর রহমান শিবলী এ রোগটি সনাক্ত করেন। এতে চিকিৎসাসেবায় প্রায় পৌনে ২ লাখ টাকা ব্যয় করেছে রিকশা চালক বাবা রোস্তম আলী শেখ। ইতোমধ্যে নিজের গরু-ছাগল বিক্রি করাসহ বিভিন্ন এনজিও সংস্থার ঋণ নিয়ে চিকিৎসা চালানো হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে একদম নিঃশ্ব হয়ে পথে বসেছে রোস্তম শেখ। এদিকে সন্তানের যতই দিন যাচ্ছে ততই অসুস্থতা বেশী দেখা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছে শিশুটির দেশের বাহিরে চিকিৎসা দরকার। এতে ব্যয়বহুল খরচ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছি পরিবারটির। এখন সন্তানকে বাঁচাতে মানুষের কাছে সাহায্যের আকুতি করছে তারা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে অসুস্থ শিশুর বাবা রোস্তম আলী শেখ কান্নাজড়িতে কন্ঠে জানান, অভাব-অনটনের সংসার তার। তাদের নুন আনতে পান্তা ফুড়ায়। এ যেন মড়ার ওপর খাড়ার ঘা।

তিনি আরও বলেন, আমার একমাত্র অবুঝ মেয়ের দিকে তাকালে চোখের পানি আটকাতে পারি না। এখন টাকার অভাবে ওর চিকিৎসাসেবা বন্ধ হয়েছে। সবাই যদি মানবিক সহায়তা করতেন, তাহলে হয়তো সন্তানকে সুস্থতা করা সম্ভব। সহযোগিতায় বিকাশ নাম্বার ( রুস্তম) ০১৭৫৭-৮৬২০৮১।