রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা মিতু বেগম

গাইবান্ধা জেলা ও পলাশবাড়ী উপজেলা পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক‍্যাটাগরিতে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরুস্কার পেয়েছেন নারী উদ‍্যোক্তা মিতু বেগম। তিনি নুনিয়াগাড়ী এমব্রয়ডারি পল্লীর সত্বাধিকারী।

“জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ পুরুস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল।

এ অনুষ্ঠানে ৫ ক‍্যাটাগরিতে জেলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে ৫ পুরুস্কারে ভূষিত হন। এর মধ্যে মিতু বেগম একজন।

অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী জয়িতা নারী মোছা. মিতু বেগম বলেন, সমাজে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে আসাটা জরুরি। তাই আমাদের সকলের উচিত হবে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি তাদের স্বাবলম্বি করে গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য, পলাশবাড়ী পৌরসভার নুনিয়াগাড়ী গ্রামের “নুনিয়াগাড়ী এমব্রয়ডারি পল্লীর সফল নারী উদ‍্যোক্তা মোছা. মিতু বেগম। তিনি এ গ্রামের মজিদ মন্ডলের মেয়ে‍ ও পলাশবাড়ী শিল্প‍্যায়নের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান মিজানের স্ত্রী। ছোট থেকেই ভালো কিছু করার বাসনা ছিল মিতুর। সেই বাসনা থেকেই প্রথমে পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) থেকে ৩০ দিনের এমব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ ও ঋণ নিয়ে প্রথমে ৫ জন নারীকে নিয়ে শূন্য থেকে সেলাইয়ের কাজ শুরু করেন। এরপর কাজের পরিধি ও অর্ডার বাড়তে বাড়তে এখন তার নারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৬০০ জন।  বতর্মানে এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে একেকজন নারী শ্রমিক প্রতিমাসে ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা আয় করে সংসারের অভাব ঘুচাতে সক্ষম হচ্ছেন।

গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা মিতু বেগম

প্রকাশের সময়: ০৭:১৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধা জেলা ও পলাশবাড়ী উপজেলা পর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক‍্যাটাগরিতে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরুস্কার পেয়েছেন নারী উদ‍্যোক্তা মিতু বেগম। তিনি নুনিয়াগাড়ী এমব্রয়ডারি পল্লীর সত্বাধিকারী।

“জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ পুরুস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল।

এ অনুষ্ঠানে ৫ ক‍্যাটাগরিতে জেলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে ৫ পুরুস্কারে ভূষিত হন। এর মধ্যে মিতু বেগম একজন।

অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী জয়িতা নারী মোছা. মিতু বেগম বলেন, সমাজে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে আসাটা জরুরি। তাই আমাদের সকলের উচিত হবে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি তাদের স্বাবলম্বি করে গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য, পলাশবাড়ী পৌরসভার নুনিয়াগাড়ী গ্রামের “নুনিয়াগাড়ী এমব্রয়ডারি পল্লীর সফল নারী উদ‍্যোক্তা মোছা. মিতু বেগম। তিনি এ গ্রামের মজিদ মন্ডলের মেয়ে‍ ও পলাশবাড়ী শিল্প‍্যায়নের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান মিজানের স্ত্রী। ছোট থেকেই ভালো কিছু করার বাসনা ছিল মিতুর। সেই বাসনা থেকেই প্রথমে পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) থেকে ৩০ দিনের এমব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ ও ঋণ নিয়ে প্রথমে ৫ জন নারীকে নিয়ে শূন্য থেকে সেলাইয়ের কাজ শুরু করেন। এরপর কাজের পরিধি ও অর্ডার বাড়তে বাড়তে এখন তার নারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৬০০ জন।  বতর্মানে এ প্রতিষ্ঠানে কাজ করে একেকজন নারী শ্রমিক প্রতিমাসে ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা আয় করে সংসারের অভাব ঘুচাতে সক্ষম হচ্ছেন।