রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে সবজির আমদানি বাড়লেও কমছে না দাম

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে শীতকালীন শাক-সবজির আমদানি বাড়লেও কমছে না দাম। অগ্নিমুল্যের কারণে অস্থির হয়ে ওঠেছে স্বল্প আয়ের মানুষ। একই সঙ্গে সবকিছু নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি দামের কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
রোববার দুপুরে সাদুল্লাপুর শহরের বাজার ঘুরে ও বিভিন্ন হাট-বাজার দেখা যায়- শীতের সবজিগুলোর আকাশচুম্বি দামের চিত্র। অতিরিক্ত দামের কারণে খেটে খাওয়া মানুষগুলো চাহিদার অর্ধেক সবজি কিনে বাড়ি ফিরছেন।

 

সাদুল্লাপুর বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, মূলা ১০ টাকা, সিম ৪০-৬০ টাকা, বটবটি ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, লাউ ২৫-৪০ টাকা (প্রতি পিস) ধনিয়া শাক ৩৫ টাকা, মূলা শাক ২০ টাকা, পালং শাক ৩০ টাকা, লাল শাক ২৫ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, সরিষা শাক ২৫ টাকা, ও লাপা শাক ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ শুধু শাক-সবজি নয়, চিনিসহ নিত্যপণ্য সব ধরণের জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। লাগামহীন ঊর্ধ্বমূখী দাম নিয়ে বিপাকে পড়েছে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত¡ পরিবারের মানুষেররা। প্রতিনিয়ত সবজি ও অন্যান্য পণ্যের দাম অতিরিক্ত বেড়ে চলায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষগুলো।

সাদুল্লাপুরের মিরপুর বাজারে সবজি কিনতে আসা নুরুন্নবী মিয়া বলেন, আগের তুলনায় গত সপ্তাহে শাক-সবজির দাম নাগালের মধ্যে ছিলো। কিন্তু আবারও হু হু করে দাম বেড়েছে। যা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

সাদুল্লাপুরের খুচরা বাজারে সবজি বিক্রেতা মাহিদুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে  জানান, ইতোমধ্যে শীতকালীন সবজি আড়তে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু পাইকারি দাম অনেক বেশী। তাই খুচরা বাজারেও বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর দাম কিছুটা কম রয়েছে।

ফরিদপুর এলাকার সবজি চাষি আজম উদ্দিন জানান, শীতের জন্য আগাম সবজির আবাদ করছিলেন। কিছুদিন আগে ঝড়-বৃষ্টির কারণে সেই ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। তাই উৎপাদন কম হওয়ায় শাক-সবজির দাম বেড়েছে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসনিয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, চলতি রবি মৌসুমে ১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে শাক-সজির চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত অর্জন হয়েছে প্রায় সাড়ে ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলে এবং আশানুরূপ ফলন পাওয়া গেলে শাক-সবজির দাম কমতে পারে। এতে কৃষক-ভোক্তা উভয়ে স্বস্তি পাবেন।

সাদুল্লাপুরে সবজির আমদানি বাড়লেও কমছে না দাম

প্রকাশের সময়: ০৬:৪০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে শীতকালীন শাক-সবজির আমদানি বাড়লেও কমছে না দাম। অগ্নিমুল্যের কারণে অস্থির হয়ে ওঠেছে স্বল্প আয়ের মানুষ। একই সঙ্গে সবকিছু নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি দামের কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
রোববার দুপুরে সাদুল্লাপুর শহরের বাজার ঘুরে ও বিভিন্ন হাট-বাজার দেখা যায়- শীতের সবজিগুলোর আকাশচুম্বি দামের চিত্র। অতিরিক্ত দামের কারণে খেটে খাওয়া মানুষগুলো চাহিদার অর্ধেক সবজি কিনে বাড়ি ফিরছেন।

 

সাদুল্লাপুর বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, মূলা ১০ টাকা, সিম ৪০-৬০ টাকা, বটবটি ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, লাউ ২৫-৪০ টাকা (প্রতি পিস) ধনিয়া শাক ৩৫ টাকা, মূলা শাক ২০ টাকা, পালং শাক ৩০ টাকা, লাল শাক ২৫ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, সরিষা শাক ২৫ টাকা, ও লাপা শাক ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

ভোক্তাদের অভিযোগ শুধু শাক-সবজি নয়, চিনিসহ নিত্যপণ্য সব ধরণের জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। লাগামহীন ঊর্ধ্বমূখী দাম নিয়ে বিপাকে পড়েছে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত¡ পরিবারের মানুষেররা। প্রতিনিয়ত সবজি ও অন্যান্য পণ্যের দাম অতিরিক্ত বেড়ে চলায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষগুলো।

সাদুল্লাপুরের মিরপুর বাজারে সবজি কিনতে আসা নুরুন্নবী মিয়া বলেন, আগের তুলনায় গত সপ্তাহে শাক-সবজির দাম নাগালের মধ্যে ছিলো। কিন্তু আবারও হু হু করে দাম বেড়েছে। যা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

সাদুল্লাপুরের খুচরা বাজারে সবজি বিক্রেতা মাহিদুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে  জানান, ইতোমধ্যে শীতকালীন সবজি আড়তে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু পাইকারি দাম অনেক বেশী। তাই খুচরা বাজারেও বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর দাম কিছুটা কম রয়েছে।

ফরিদপুর এলাকার সবজি চাষি আজম উদ্দিন জানান, শীতের জন্য আগাম সবজির আবাদ করছিলেন। কিছুদিন আগে ঝড়-বৃষ্টির কারণে সেই ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। তাই উৎপাদন কম হওয়ায় শাক-সবজির দাম বেড়েছে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসনিয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, চলতি রবি মৌসুমে ১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে শাক-সজির চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত অর্জন হয়েছে প্রায় সাড়ে ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলে এবং আশানুরূপ ফলন পাওয়া গেলে শাক-সবজির দাম কমতে পারে। এতে কৃষক-ভোক্তা উভয়ে স্বস্তি পাবেন।