রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তহসিলদারকে হয়রানির চেষ্টা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ভিত্তিহীন এই অভিযোগের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছেন সেবাগ্রহীতারা।

সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে ওই তহসিলদারকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন সাইদুর রহমান নামের ব্যক্তি। তিনি ধাপেরহাট ইউনিয়নের আরাজী ছত্রগাছা গ্রামের মৃত আফছার আলীর ছেলে।

সাইদুর রহমান তার দাখিল করা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, জমি খারিজ করার জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি ধাপেরহাট ইউনিয়ন তহসিলদারকে ১৬ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরবর্তী এই টাকার মধ্যে ১ হাজার ১৮০ টাকার ৭টি রশিদ গ্রহণ করেন। বাকি টাকার কোন রশিদ দেওয়া হয়নি। অবশিষ্ঠ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি বলে এই অভিযোগপত্রে বর্ণনা করেন সাইদুর।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ধাপেরহাট ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে শামছুল ইসলাম মন্ডল যোগদান করে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সুনামের সাথে মানুষের সেবা প্রদান করে আসছেন। তিনি সরকারের নিয়মনীতি রক্ষা করতে গিয়ে স্থানীয় কতিপয় স্বার্থন্বেশী ব্যক্তি ইর্শ্বান্বিত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। এরই একপর্যায়ে উক্ত সাইদুর রহমান জমি খারিজ করার জন্য ভূমি অফিসে যান। এসময় তহসিলদার শামছুল ইসলাম মন্ডলের পরামর্শে অনলাইনে আবেদন করাসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১৩ হাজার ৭৩২ টাকা খাজনা জমা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তহসিলদার শামছুল ইসলাম মন্ডল জমাকৃত টাকার দাখিলা কেটে অনলাইন প্রিন্টের ৮টি রশিদ কপি সাইদুর রহমানকে প্রদান করেন। এতে করে এসিল্যান্ডের নিকট সাইদুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগপত্রটি ভিত্তিহীন বলে তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, তহসিলদার প্রাথমিকভাবে আমাকে ১ হাজার ১৮০ টাকার ৭টি দাখিলা রশিদ দিয়েছেন। বিষয়টি এসিল্যান্ডকে জানানোর পর তড়িঘড়ি করে আরেকটি দাখিলা রশিদ প্রিন্ট করছেন শামছুল ইসলাম মন্ডল।

ধাপেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম মন্ডল জানান, জমি খারিজ করার লক্ষে খাজনা পরিশোধের জন্য সাইদুর রহমান মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১৩ হাজার ৭৩২ টাকা জমা করেন। আর এই টাকার ৮টি রশিদ কপি সাইদুর রহমানকে প্রদান করা হয়েছে। আমার সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে সাইদুর রহমান জোরপূর্বকভাবে ২ হাজার টাকা সম্মানি দিলেও সেই টাকা আমি গ্রহণ করিনি। অথচ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সম্মানহানীর চেষ্টা করছেন তিনি। এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগা করে হলে ফোনটি রিসিভ করতে পারেন নি তিনি।

 

 

সাদুল্লাপুরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তহসিলদারকে হয়রানির চেষ্টা

প্রকাশের সময়: ১২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম মন্ডলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ভিত্তিহীন এই অভিযোগের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেছেন সেবাগ্রহীতারা।

সম্প্রতি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে ওই তহসিলদারকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন সাইদুর রহমান নামের ব্যক্তি। তিনি ধাপেরহাট ইউনিয়নের আরাজী ছত্রগাছা গ্রামের মৃত আফছার আলীর ছেলে।

সাইদুর রহমান তার দাখিল করা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, জমি খারিজ করার জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি ধাপেরহাট ইউনিয়ন তহসিলদারকে ১৬ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরবর্তী এই টাকার মধ্যে ১ হাজার ১৮০ টাকার ৭টি রশিদ গ্রহণ করেন। বাকি টাকার কোন রশিদ দেওয়া হয়নি। অবশিষ্ঠ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি বলে এই অভিযোগপত্রে বর্ণনা করেন সাইদুর।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ধাপেরহাট ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে শামছুল ইসলাম মন্ডল যোগদান করে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সুনামের সাথে মানুষের সেবা প্রদান করে আসছেন। তিনি সরকারের নিয়মনীতি রক্ষা করতে গিয়ে স্থানীয় কতিপয় স্বার্থন্বেশী ব্যক্তি ইর্শ্বান্বিত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। এরই একপর্যায়ে উক্ত সাইদুর রহমান জমি খারিজ করার জন্য ভূমি অফিসে যান। এসময় তহসিলদার শামছুল ইসলাম মন্ডলের পরামর্শে অনলাইনে আবেদন করাসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১৩ হাজার ৭৩২ টাকা খাজনা জমা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তহসিলদার শামছুল ইসলাম মন্ডল জমাকৃত টাকার দাখিলা কেটে অনলাইন প্রিন্টের ৮টি রশিদ কপি সাইদুর রহমানকে প্রদান করেন। এতে করে এসিল্যান্ডের নিকট সাইদুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগপত্রটি ভিত্তিহীন বলে তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সাইদুর রহমান বলেন, তহসিলদার প্রাথমিকভাবে আমাকে ১ হাজার ১৮০ টাকার ৭টি দাখিলা রশিদ দিয়েছেন। বিষয়টি এসিল্যান্ডকে জানানোর পর তড়িঘড়ি করে আরেকটি দাখিলা রশিদ প্রিন্ট করছেন শামছুল ইসলাম মন্ডল।

ধাপেরহাট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শামছুল ইসলাম মন্ডল জানান, জমি খারিজ করার লক্ষে খাজনা পরিশোধের জন্য সাইদুর রহমান মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১৩ হাজার ৭৩২ টাকা জমা করেন। আর এই টাকার ৮টি রশিদ কপি সাইদুর রহমানকে প্রদান করা হয়েছে। আমার সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে সাইদুর রহমান জোরপূর্বকভাবে ২ হাজার টাকা সম্মানি দিলেও সেই টাকা আমি গ্রহণ করিনি। অথচ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে সম্মানহানীর চেষ্টা করছেন তিনি। এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগা করে হলে ফোনটি রিসিভ করতে পারেন নি তিনি।