শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় নালার ভাঙনে হুমকিতে আবাদি জমি, রক্ষণাবেক্ষণের দাবি

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়ায় একটি নালার ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ১৫ একর আবাদি জমি। বর্ষা এলে এসব জমিতে ভাঙন বৃদ্ধি পায়। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।  স্থানীয় কৃষকেরা শুষ্ক মৌসুমে দ্রুত নালা রক্ষণাবেক্ষণের দাবি করেছেন।
জানা গেছে, ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকায় শাহারজান নামে পানি নিষ্কাশনের নালায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষি জমি হুমকির মুখে পড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। বর্ষা মৌসুমে একমাত্র সম্বল জমিতে ভাঙনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছেন তাঁরা। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকার শাহারজান নালা দিয়ে অত্রাঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পানি বেলান নদীতে গিয়ে পড়ে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে এ নালা ভাঙনের ফলে আবাদি জমি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়  কৃষকেরা। নালার ভাঙন রোধ ও আবাদি জমি ভাঙন থেকে রক্ষা করতে গাইড ওয়াল নির্মাণের আবেদন জানিয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে গত রবিবার লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা গার্মেন্টস কর্মী মেরিনা খাতুন হতাশার কন্ঠে বলেন, রিকশাভ্যানচালক স্বামীর ও আমার উপার্জিত অর্থের মাধ্যমেই ২০ শতক জমি। নালার ধারে সেই জমিই সম্বল। এ নিয়ে সর্বদা দুশ্চিন্তায় থাকি। কেননা কয়েক বছরে ভাঙনে অনেকটা জমি নালায় চলে গেছে। খরা মৌসুমে জমি কিছুটা উঁচু করলেও বর্ষা মৌসুমে শঙ্কায় থাকতে হয়। কখন যেন আবাদি জমি বিলীন হয়ে যায়।
স্থানীয় চাষি নুর আলম বলেন, প্রতিবছর নালা ভাঙনে গাছ ও আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। আমার নালার সন্নিকটে প্রায় ৪ বিঘা জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি সুদৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।
ওই নালার ভাঙন নিয়ে চিন্তিত সাইদুজ্জামান বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই গাইড ওয়াল নির্মাণ করা জরুরি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নালা ভাঙনের স্থান ও আবাদি জমি সরজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। আবাদি জমি রক্ষা ও কৃষকদের যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসন পাশে থাকবে।

খানসামায় নালার ভাঙনে হুমকিতে আবাদি জমি, রক্ষণাবেক্ষণের দাবি

প্রকাশের সময়: ০৪:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়ায় একটি নালার ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ১৫ একর আবাদি জমি। বর্ষা এলে এসব জমিতে ভাঙন বৃদ্ধি পায়। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।  স্থানীয় কৃষকেরা শুষ্ক মৌসুমে দ্রুত নালা রক্ষণাবেক্ষণের দাবি করেছেন।
জানা গেছে, ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকায় শাহারজান নামে পানি নিষ্কাশনের নালায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষি জমি হুমকির মুখে পড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। বর্ষা মৌসুমে একমাত্র সম্বল জমিতে ভাঙনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় বলে আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছেন তাঁরা। স্থানীয় কৃষকেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাবকী ইউনিয়নের উত্তমপাড়া এলাকার শাহারজান নালা দিয়ে অত্রাঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পানি বেলান নদীতে গিয়ে পড়ে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে এ নালা ভাঙনের ফলে আবাদি জমি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়  কৃষকেরা। নালার ভাঙন রোধ ও আবাদি জমি ভাঙন থেকে রক্ষা করতে গাইড ওয়াল নির্মাণের আবেদন জানিয়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে গত রবিবার লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা গার্মেন্টস কর্মী মেরিনা খাতুন হতাশার কন্ঠে বলেন, রিকশাভ্যানচালক স্বামীর ও আমার উপার্জিত অর্থের মাধ্যমেই ২০ শতক জমি। নালার ধারে সেই জমিই সম্বল। এ নিয়ে সর্বদা দুশ্চিন্তায় থাকি। কেননা কয়েক বছরে ভাঙনে অনেকটা জমি নালায় চলে গেছে। খরা মৌসুমে জমি কিছুটা উঁচু করলেও বর্ষা মৌসুমে শঙ্কায় থাকতে হয়। কখন যেন আবাদি জমি বিলীন হয়ে যায়।
স্থানীয় চাষি নুর আলম বলেন, প্রতিবছর নালা ভাঙনে গাছ ও আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। আমার নালার সন্নিকটে প্রায় ৪ বিঘা জমি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি সুদৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।
ওই নালার ভাঙন নিয়ে চিন্তিত সাইদুজ্জামান বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই গাইড ওয়াল নির্মাণ করা জরুরি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নালা ভাঙনের স্থান ও আবাদি জমি সরজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। আবাদি জমি রক্ষা ও কৃষকদের যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসন পাশে থাকবে।