শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অনাদরে পড়ে আছে শহীদ মিনার

গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের হাটলক্ষীপুরের শহীদ মিনারটি চরম অনাদরে পড়ে আছে। সংস্কারের অভাবে শহীদ মিনারের অবকাঠামোও খসে পড়ছে। এই সুযোগে শহীদ মিনারের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় বিশিষ্টজনদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি হাটলক্ষীপুরের কাঁচাবাজারে ১৯৯৭ সালে শহীদ মিনারটি স্থাপন করা হয়। ওইসব ব্যক্তি নিজেরাই চাঁদা দিয়ে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেন। এই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হতো। এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সভাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় অনাদরে-অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনারটি। এখন সভাসমাবেশ তো দূরের কথা, মহান শহীদ দিবসে শ্রদ্ধা জানাতেও নানা সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয় শিক্ষক ময়নুল ইসলাম বলেন, অযত্ন আর জরাজীর্ণতার কারণে শহীদ মিনারটির প্রতি অনাগ্রহী হয়ে পড়ছে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে শহীদ মিনারটি প্রায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। সংস্কারের জন্য এর আগে মৌখিকভাবে অনেক জায়গায় আবেদন, নিবেদন জানিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

আবু তাহের নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, এ অবস্থায় শহীদ মিনারের প্রতি জনগণ বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সম্মান, শ্রদ্ধা অক্ষুন্ন রাখতে শহীদ মিনারটির জরুরিভাবে সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। সেই সাথে সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

অনাদরে পড়ে আছে শহীদ মিনার

প্রকাশের সময়: ০৪:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের হাটলক্ষীপুরের শহীদ মিনারটি চরম অনাদরে পড়ে আছে। সংস্কারের অভাবে শহীদ মিনারের অবকাঠামোও খসে পড়ছে। এই সুযোগে শহীদ মিনারের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় বিশিষ্টজনদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি হাটলক্ষীপুরের কাঁচাবাজারে ১৯৯৭ সালে শহীদ মিনারটি স্থাপন করা হয়। ওইসব ব্যক্তি নিজেরাই চাঁদা দিয়ে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করেন। এই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হতো। এখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সভাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় অনাদরে-অবহেলায় পড়ে আছে শহীদ মিনারটি। এখন সভাসমাবেশ তো দূরের কথা, মহান শহীদ দিবসে শ্রদ্ধা জানাতেও নানা সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয় শিক্ষক ময়নুল ইসলাম বলেন, অযত্ন আর জরাজীর্ণতার কারণে শহীদ মিনারটির প্রতি অনাগ্রহী হয়ে পড়ছে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে শহীদ মিনারটি প্রায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। সংস্কারের জন্য এর আগে মৌখিকভাবে অনেক জায়গায় আবেদন, নিবেদন জানিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

আবু তাহের নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, এ অবস্থায় শহীদ মিনারের প্রতি জনগণ বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সম্মান, শ্রদ্ধা অক্ষুন্ন রাখতে শহীদ মিনারটির জরুরিভাবে সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। সেই সাথে সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।