শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় সাংস্কৃতিক উৎসব

সাঁওতালসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থায় সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একটি বর্ণাঢ্য একটি র‌্যালি গাইবান্ধা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করে।

এই ভূমির মানুষের সুকৃতি, আদিবাসী-বাঙালি সংস্কৃতি’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধা নাগরিক সংগঠন ও বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা অবলম্বন উৎসবের আয়োজন করে। এতে শতাধিক সাঁওতাল-উড়াওঁ সহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নারী-পুরুষরা অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালি শেষে গানাসাস মিলনায়তনে জনউদ্যোগের সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাজহারউল মান্নান, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম বাবু, নারী নেত্রী অঞ্জলী রানী দেবী, নাজমা বেগম, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোর্শেদ দীপন, শিক্ষক আহাদুজ্জামান রিমু, অবলম্বনের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর একেএম. মাহবুব আলম মুকুল, সাঁওতাল নেত্রী মারিয়া মুর্মু, প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, সাঁওতালসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষা হারিয়ে যেতে বসেছে। তাদের সংস্কৃতিও বিলুপ্ত হচ্ছে। এরা বাংলাদেশের দরিদ্রতম প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, অধিকাংশই ভূমিহীন। আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগ নিতে হবে। অবিলম্বে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে হলে আদিবাসী ও তাদের সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই সকল ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ জরুরি। না হলে ভাষাগুলো গবেষণা ও পরিচর্যার অভাবে হারিয়ে যাবে।

সবশেষে বাঙালিসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশন করে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় সাংস্কৃতিক উৎসব

প্রকাশের সময়: ০৬:৪১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সাঁওতালসহ সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থায় সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একটি বর্ণাঢ্য একটি র‌্যালি গাইবান্ধা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করে।

এই ভূমির মানুষের সুকৃতি, আদিবাসী-বাঙালি সংস্কৃতি’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধা নাগরিক সংগঠন ও বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা অবলম্বন উৎসবের আয়োজন করে। এতে শতাধিক সাঁওতাল-উড়াওঁ সহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নারী-পুরুষরা অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালি শেষে গানাসাস মিলনায়তনে জনউদ্যোগের সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাজহারউল মান্নান, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম বাবু, নারী নেত্রী অঞ্জলী রানী দেবী, নাজমা বেগম, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব হাসান মোর্শেদ দীপন, শিক্ষক আহাদুজ্জামান রিমু, অবলম্বনের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর একেএম. মাহবুব আলম মুকুল, সাঁওতাল নেত্রী মারিয়া মুর্মু, প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, সাঁওতালসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষা হারিয়ে যেতে বসেছে। তাদের সংস্কৃতিও বিলুপ্ত হচ্ছে। এরা বাংলাদেশের দরিদ্রতম প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, অধিকাংশই ভূমিহীন। আদিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগ নিতে হবে। অবিলম্বে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে হলে আদিবাসী ও তাদের সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই সকল ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ জরুরি। না হলে ভাষাগুলো গবেষণা ও পরিচর্যার অভাবে হারিয়ে যাবে।

সবশেষে বাঙালিসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশন করে।