শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইছামতি নদীতে ভেসে ওঠা মরদেহ মিললো ৫ কেজি সোনা

বাংলাদেশ- ভারত সীমান্তের মধ্যবর্তী ইছামতি নদী থেকে নিখোঁজের ৪ দিন পরে মশিয়ার রহমান (৫৫) নামে এক স্বর্ণ পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবির সদস্যরা।

বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে শার্শা উপজেলার অগ্রভুলট সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এসময় মরদেহের শরীরে বাঁধা অবস্থায় ৫ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ৪০ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার পাওয়া যায়। সে শার্শা উপজেলার হরিশ্চন্দ্র পুর গ্রামের বুড়ো মোড়লের ছেলে। খুলনা ২১ বিজিবি’র সিও লে. কর্নেল খুরসিদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ১০ মার্চ বিকেলে একটি স্বর্ণের চালান নিয়ে ইছামতি নদী দিয়ে ভারতে প্রবেশকালে নদীতে ডুবে যান মশিয়ার। গত ৩ দিন ধরে সীমান্তের ইছামতি নদীতে তার মরদেহ উদ্ধারে বিজিবি, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিএসএফ) চেষ্টা চালায়। তবে ভারত অংশে প্রবেশে বিএসএফ বাধা মুখে ডুবুরিরা মরদেহ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। অবশেষে ৪ দিন পর সকালে ঘটনাস্থল থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে অগ্রভুলোট সীমান্ত এলাকায় মরদেহটি ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে বিজিবি ও পুলিশকে খবর দেয়। বিজিবি সদস্যরা বুধবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে শার্শা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এদিকে মশিয়ার রহমানের স্বজনরা জানান, জামাল ও রহিম বক্স নামে দুজন ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিযে গিয়েছিলো।

শার্শা থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জাগো২৪.নেট-কে জানান, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের একাধীক টিম তৎপর রয়েছে। এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ যশোর ট্রেজারীতে জমা দেওয়া হবে।

ইছামতি নদীতে ভেসে ওঠা মরদেহ মিললো ৫ কেজি সোনা

প্রকাশের সময়: ০৯:১৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশ- ভারত সীমান্তের মধ্যবর্তী ইছামতি নদী থেকে নিখোঁজের ৪ দিন পরে মশিয়ার রহমান (৫৫) নামে এক স্বর্ণ পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবির সদস্যরা।

বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে শার্শা উপজেলার অগ্রভুলট সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এসময় মরদেহের শরীরে বাঁধা অবস্থায় ৫ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ৪০ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার পাওয়া যায়। সে শার্শা উপজেলার হরিশ্চন্দ্র পুর গ্রামের বুড়ো মোড়লের ছেলে। খুলনা ২১ বিজিবি’র সিও লে. কর্নেল খুরসিদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ১০ মার্চ বিকেলে একটি স্বর্ণের চালান নিয়ে ইছামতি নদী দিয়ে ভারতে প্রবেশকালে নদীতে ডুবে যান মশিয়ার। গত ৩ দিন ধরে সীমান্তের ইছামতি নদীতে তার মরদেহ উদ্ধারে বিজিবি, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিএসএফ) চেষ্টা চালায়। তবে ভারত অংশে প্রবেশে বিএসএফ বাধা মুখে ডুবুরিরা মরদেহ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। অবশেষে ৪ দিন পর সকালে ঘটনাস্থল থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে অগ্রভুলোট সীমান্ত এলাকায় মরদেহটি ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে বিজিবি ও পুলিশকে খবর দেয়। বিজিবি সদস্যরা বুধবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে শার্শা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এদিকে মশিয়ার রহমানের স্বজনরা জানান, জামাল ও রহিম বক্স নামে দুজন ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিযে গিয়েছিলো।

শার্শা থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জাগো২৪.নেট-কে জানান, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের একাধীক টিম তৎপর রয়েছে। এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ যশোর ট্রেজারীতে জমা দেওয়া হবে।