শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে তরমুজ ও কলার দাম দ্বিগুণ 

Exif_JPEG_420

বগুড়ার নন্দীগ্রামে কয়েকদিনের ব্যবধানে তরমুজ ও কলার দাম দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতারিতে তরমুজ, কলাসহ বিভিন্ন ধরনের ফল খায় রোজাদাররা। এতে তারা অনেকটা স্বস্তিও পায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সবধরনের ফলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
নন্দীগ্রাম বাজারে কয়েকদিন আগেও তরমুজ ৫০ ও কলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। অথচ বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি তরমুজ ৮০ ও কলা ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।
নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে ফলের দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, অন্যান্য ফলের মধ্যে পেয়ারা ৮০, আনারস ৮০, বরই ৯০ ও শশা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া খেজুর প্রকারভেদে ৪০০-১২০০, আপেল ৩৪০, আঙুর ৩০০, কমলা ২৮০, মাল্টা ৩৬০, বেদানা ৩৮০ টাকা কেজি দরে ও ডাব প্রতিটি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দেশে যে কোনো জিনিসের একটা দাম চাইতে পারলেই হয়ে যায় এমন অভিযোগ করে ক্রেতা ওমর ফারুক বলেন, এসব দেখার কেউ নেই। তরমুজ ৮০, কলা ১২০, দুধ ৯০ টাকা কেজি দরে কখনও বিক্রি হয় নাকি? গত সপ্তাহে এগুলোর দাম অর্ধেক ছিলো। শুধু ফল না, সব জিনিসের বাজার দর বেড়েছে।
কয়েকদিন আগে ঠান্ডা থাকায় তরমুজের দাম কম ছিল দাবি করে ফল ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন বলেন, এখন গরম পড়তে শুরু করেছে। তা ছাড়া রোজার কারণে তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। এ জন্য দামও বেড়ে গেছে। তখন কম দামে কিনে কম দামে বিক্রি করেছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুমায়ুন কবির জাগো২৪.নেট-কে বলেন, ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন ও বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও বাজার মনিটরিং অব্যাহত রেখেছি।

নন্দীগ্রামে তরমুজ ও কলার দাম দ্বিগুণ 

প্রকাশের সময়: ০৭:১৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪
বগুড়ার নন্দীগ্রামে কয়েকদিনের ব্যবধানে তরমুজ ও কলার দাম দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতারিতে তরমুজ, কলাসহ বিভিন্ন ধরনের ফল খায় রোজাদাররা। এতে তারা অনেকটা স্বস্তিও পায়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সবধরনের ফলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।
নন্দীগ্রাম বাজারে কয়েকদিন আগেও তরমুজ ৫০ ও কলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। অথচ বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি তরমুজ ৮০ ও কলা ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।
নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে ফলের দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, অন্যান্য ফলের মধ্যে পেয়ারা ৮০, আনারস ৮০, বরই ৯০ ও শশা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া খেজুর প্রকারভেদে ৪০০-১২০০, আপেল ৩৪০, আঙুর ৩০০, কমলা ২৮০, মাল্টা ৩৬০, বেদানা ৩৮০ টাকা কেজি দরে ও ডাব প্রতিটি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দেশে যে কোনো জিনিসের একটা দাম চাইতে পারলেই হয়ে যায় এমন অভিযোগ করে ক্রেতা ওমর ফারুক বলেন, এসব দেখার কেউ নেই। তরমুজ ৮০, কলা ১২০, দুধ ৯০ টাকা কেজি দরে কখনও বিক্রি হয় নাকি? গত সপ্তাহে এগুলোর দাম অর্ধেক ছিলো। শুধু ফল না, সব জিনিসের বাজার দর বেড়েছে।
কয়েকদিন আগে ঠান্ডা থাকায় তরমুজের দাম কম ছিল দাবি করে ফল ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন বলেন, এখন গরম পড়তে শুরু করেছে। তা ছাড়া রোজার কারণে তরমুজের চাহিদা বেড়েছে। এ জন্য দামও বেড়ে গেছে। তখন কম দামে কিনে কম দামে বিক্রি করেছি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুমায়ুন কবির জাগো২৪.নেট-কে বলেন, ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন ও বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও বাজার মনিটরিং অব্যাহত রেখেছি।