বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝড়ে মুরগির খামার বিধ্বস্ত, সহযোগীতা চান রাব্বেবুল

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ‘রোকেয়া এগ্রো’ নামের একটি খামার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঝড়ের তাণ্ডবে খামারের অন্তত ৩০০টি মুরগি মারা গেছে। এতে খামারির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই অপূরণীয় ক্ষতি থেকে ঘুড়ে দাঁড়াতে সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা চান ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (৭ মে) উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ এলাকায় দেখা গেছে- ‘রোকেয়া এগ্রো’ নামে মুরগীর খামারের ধ্বংসস্তূপের চিত্র। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন।

উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল রাতে হঠাৎ করেই এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। প্রবল বাতাস ও টানা বৃষ্টিতে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ‘রোকেয়া এগ্রো’ খামারের প্রায় ৬৫ হাত দীর্ঘ একটি সেড। ঝড়ের তীব্রতায় সেডের টিন ও কাঠামো ভেঙে পড়ে ভেতরে থাকা মুরগির ওপর। এতে খামারে থাকা প্রায় ৬৫০টি মুরগির মধ্যে প্রায় ৩০০টি চাপা পড়ে মারা যায়। আহত হয় আরও অনেক মুরগি।

ঝড়ের পর সকালে খামারের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল ভাঙা টিন, বাঁশ ও মৃত মুরগি। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, সঞ্চয় এবং ঋণের টাকায় গড়ে তোলা খামারের এমন ধ্বংসস্তূপ দেখে হতাশ হয়ে পড়েন খামারি ও তার পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি শেখ রাব্বেবুল ইসলাম বলেন, অনেক কষ্ট করে সঞ্চিত টাকা ও ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু এক রাতের ঝড়ে সবকিছু প্রায় শেষ হয়ে গেল। এত বড় ক্ষতি কীভাবে সামাল দেব বুঝতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, মারা যাওয়া মুরগির কারণে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সেড ভেঙে যাওয়ায় আরও প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবমিলিয়ে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। এখন নতুন করে খামার চালু করতে অনেক টাকার প্রয়োজন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে হয়তো ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।

ঝড়ে মুরগির খামার বিধ্বস্ত, সহযোগীতা চান রাব্বেবুল

প্রকাশের সময়: ০৯:০৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা দিয়ে বয়ে যাওয়া আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ‘রোকেয়া এগ্রো’ নামের একটি খামার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঝড়ের তাণ্ডবে খামারের অন্তত ৩০০টি মুরগি মারা গেছে। এতে খামারির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই অপূরণীয় ক্ষতি থেকে ঘুড়ে দাঁড়াতে সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা চান ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার (৭ মে) উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ এলাকায় দেখা গেছে- ‘রোকেয়া এগ্রো’ নামে মুরগীর খামারের ধ্বংসস্তূপের চিত্র। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন।

উদ্যোক্তা শেখ রাব্বেবুল ইসলাম সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল রাতে হঠাৎ করেই এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। প্রবল বাতাস ও টানা বৃষ্টিতে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ‘রোকেয়া এগ্রো’ খামারের প্রায় ৬৫ হাত দীর্ঘ একটি সেড। ঝড়ের তীব্রতায় সেডের টিন ও কাঠামো ভেঙে পড়ে ভেতরে থাকা মুরগির ওপর। এতে খামারে থাকা প্রায় ৬৫০টি মুরগির মধ্যে প্রায় ৩০০টি চাপা পড়ে মারা যায়। আহত হয় আরও অনেক মুরগি।

ঝড়ের পর সকালে খামারের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল ভাঙা টিন, বাঁশ ও মৃত মুরগি। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, সঞ্চয় এবং ঋণের টাকায় গড়ে তোলা খামারের এমন ধ্বংসস্তূপ দেখে হতাশ হয়ে পড়েন খামারি ও তার পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি শেখ রাব্বেবুল ইসলাম বলেন, অনেক কষ্ট করে সঞ্চিত টাকা ও ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। কিন্তু এক রাতের ঝড়ে সবকিছু প্রায় শেষ হয়ে গেল। এত বড় ক্ষতি কীভাবে সামাল দেব বুঝতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, মারা যাওয়া মুরগির কারণে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সেড ভেঙে যাওয়ায় আরও প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবমিলিয়ে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। এখন নতুন করে খামার চালু করতে অনেক টাকার প্রয়োজন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে হয়তো ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব।