সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হলদে রঙে সাজিয়েছে শিরিন আক্তারের তরমুজ ক্ষেত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহিষবান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিরিন আক্তার। করোনাকালীন ছুটির অবসরে চাষ করেছেন গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ। নতুন জাতের এই তরমুজ ক্ষেতটি এখন সাজিয়ে উঠেছে হলদে রঙে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (৮ জুন) সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাঙ্গামোড় মাঠে মাচার নিচে দুলতে দেখা যায় হলদে রঙের তরমুজগুলো। এসময় পরিচর্যায় কাজে ব্যস্ত ছিলেন এক শ্রমিক।

জানা যায়, ভাঙ্গামোড় গ্রামের বাসিন্দা শিরিন আক্তার। পেশায় মহিষবান্দিসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। চাকুরির পাশাপাশি নিজের জমিতে উৎপাদন করে চলছেন নানা ধরণের ফসল। এরইমধ্যে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লম্বা ছুটির এসময়টা কাজে লাগাতে পরিক্ষামূলক আবাদ করেছে নতুন জাতের তরমুজ তাইওয়ানের বীজের এই জাতের নাম- গোল্ডেন ক্রাইন। সাধারণত অন্যান্য জাতের তরমুজ মাটিতে চাষ চাষ করা হলেও, হলদে রঙের তরমুজের আবাদ করতে হয়েছে মাচায়। সম্প্রতি এই মাচার নিচে দুলছে সহস্রাধিক তরমুজ।

এদিকে, রাস্তার ধারে এই তরমুজ ক্ষেত হওয়ায় দৃষ্টিনন্দন করে ফেলছে পথচারিদের। শুধু পথচারিই নয়। শিরিন আক্তারের আকর্ষণীয় তরমুজ ক্ষেত দেখছে দলবদ্ধভাবে ছুটে আসছেন উৎসুক মানুষ। অনেকে মোবাইল ফোনে ধারণ করছে তরমুজের ছবি। কেউবা এই তরমুজের স্বাদ নিতে কিনেও নিচ্ছেন আবার বেশ কিছু কৃষক গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ চাষের লক্ষ্যে ছুটে আসছেন শিল্পী আক্তারের কাছে।

ওই তরমুজ ক্ষেত মালিক শিরিন আক্তার জাগো২৪.নেট-কে জানান, পরিক্ষামূলক ভাবে ১৬ শতক জমিতে হলদে রঙের তরমুজ আবাদ করা হয়েছে। এতে প্রায় খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ফসল নেওয়া শুরু করা হয়েছে। যা বাজারে চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বীজ-সার-শ্রমিক ও অন্যান্যা খরচ বাদে প্রায় দ্বিগুণ লাভ থাকবে বলে আশা করছেন তিনি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, সাধারণত উঁচু জমিতে ওই তরমুজ চাষাবাদ করতে হয়। মাচা পদ্ধতিতে এ চাষে বীজ রোপনের দুই মাসের মধ্যে ফসল আসতে শুরু হয়। অন্য জাতের তরমুজের তুলনায় গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজে রয়েছে স্বাদ-পুষ্টিগুণ অনেক বেশী।

হলদে রঙে সাজিয়েছে শিরিন আক্তারের তরমুজ ক্ষেত

প্রকাশের সময়: ১১:৩১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুন ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মহিষবান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিরিন আক্তার। করোনাকালীন ছুটির অবসরে চাষ করেছেন গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ। নতুন জাতের এই তরমুজ ক্ষেতটি এখন সাজিয়ে উঠেছে হলদে রঙে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (৮ জুন) সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাঙ্গামোড় মাঠে মাচার নিচে দুলতে দেখা যায় হলদে রঙের তরমুজগুলো। এসময় পরিচর্যায় কাজে ব্যস্ত ছিলেন এক শ্রমিক।

জানা যায়, ভাঙ্গামোড় গ্রামের বাসিন্দা শিরিন আক্তার। পেশায় মহিষবান্দিসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। চাকুরির পাশাপাশি নিজের জমিতে উৎপাদন করে চলছেন নানা ধরণের ফসল। এরইমধ্যে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লম্বা ছুটির এসময়টা কাজে লাগাতে পরিক্ষামূলক আবাদ করেছে নতুন জাতের তরমুজ তাইওয়ানের বীজের এই জাতের নাম- গোল্ডেন ক্রাইন। সাধারণত অন্যান্য জাতের তরমুজ মাটিতে চাষ চাষ করা হলেও, হলদে রঙের তরমুজের আবাদ করতে হয়েছে মাচায়। সম্প্রতি এই মাচার নিচে দুলছে সহস্রাধিক তরমুজ।

এদিকে, রাস্তার ধারে এই তরমুজ ক্ষেত হওয়ায় দৃষ্টিনন্দন করে ফেলছে পথচারিদের। শুধু পথচারিই নয়। শিরিন আক্তারের আকর্ষণীয় তরমুজ ক্ষেত দেখছে দলবদ্ধভাবে ছুটে আসছেন উৎসুক মানুষ। অনেকে মোবাইল ফোনে ধারণ করছে তরমুজের ছবি। কেউবা এই তরমুজের স্বাদ নিতে কিনেও নিচ্ছেন আবার বেশ কিছু কৃষক গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ চাষের লক্ষ্যে ছুটে আসছেন শিল্পী আক্তারের কাছে।

ওই তরমুজ ক্ষেত মালিক শিরিন আক্তার জাগো২৪.নেট-কে জানান, পরিক্ষামূলক ভাবে ১৬ শতক জমিতে হলদে রঙের তরমুজ আবাদ করা হয়েছে। এতে প্রায় খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ফসল নেওয়া শুরু করা হয়েছে। যা বাজারে চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বীজ-সার-শ্রমিক ও অন্যান্যা খরচ বাদে প্রায় দ্বিগুণ লাভ থাকবে বলে আশা করছেন তিনি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, সাধারণত উঁচু জমিতে ওই তরমুজ চাষাবাদ করতে হয়। মাচা পদ্ধতিতে এ চাষে বীজ রোপনের দুই মাসের মধ্যে ফসল আসতে শুরু হয়। অন্য জাতের তরমুজের তুলনায় গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজে রয়েছে স্বাদ-পুষ্টিগুণ অনেক বেশী।