মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক

নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় আসন্ন চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। গত ১১ নভেম্ব^র হতে ২৫ নভেম্ব^র পর্যন্ত উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদান করা হয়েছে। অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানে সরাসরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অংশগ্রহণের অভিযোগ করেছে তাদের প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীরা। অপরদিকে, এ ধরনের ঘটনা শিক্ষা বিভাগের নজরে আসার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিক্ষকদের নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করতে জরুরি নোটিশ প্রদান করেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন প্রার্থীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩নং আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের এক সাধারণ সদস্য প্রার্থীর পক্ষে ছাতিয়ানগড় ঝাপুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরল হক মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া ও নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় প্রকাশ্যে বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, ৫নং ভাবকী ইউপি’র চেয়ারম্যান পদে এক প্রার্থীর পক্ষে প্রায় শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতবিনিময় সভার আয়োজন হলেও উপজেলা প্রশাসন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়ে যায়।

অভিযোগকারী প্রার্থীরা বলেন, আচরণবিধি ভঙ্গ করে এবং নির্বাচনে যেহেতু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সহকারি প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সেহেতু তারা সরাসরি নির্বাচনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে ভোটে তার প্রভাব পরবে। এমতাবস্থায় এসব শিক্ষকদের চিহ্নিত করে তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দিয়ে বরং আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

অভিযুক্ত ছাতিয়ানগড় ঝাপুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরল হক নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার বিষয়টি স্বীকার করে ঘটনাটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এস এম এ মান্নান বলেন, নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে শিক্ষক ও কর্মচারীরা কাজ করার অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিকরুল হক বলেন, কারো বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন কিংবা ভঙ্গ করার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খানসামায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক

প্রকাশের সময়: ০৪:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১

নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় আসন্ন চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। গত ১১ নভেম্ব^র হতে ২৫ নভেম্ব^র পর্যন্ত উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদান করা হয়েছে। অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদানে সরাসরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অংশগ্রহণের অভিযোগ করেছে তাদের প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীরা। অপরদিকে, এ ধরনের ঘটনা শিক্ষা বিভাগের নজরে আসার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শিক্ষকদের নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করতে জরুরি নোটিশ প্রদান করেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন প্রার্থীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩নং আঙ্গারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের এক সাধারণ সদস্য প্রার্থীর পক্ষে ছাতিয়ানগড় ঝাপুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরল হক মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া ও নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় প্রকাশ্যে বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে, ৫নং ভাবকী ইউপি’র চেয়ারম্যান পদে এক প্রার্থীর পক্ষে প্রায় শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতবিনিময় সভার আয়োজন হলেও উপজেলা প্রশাসন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়ে যায়।

অভিযোগকারী প্রার্থীরা বলেন, আচরণবিধি ভঙ্গ করে এবং নির্বাচনে যেহেতু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সহকারি প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সেহেতু তারা সরাসরি নির্বাচনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে ভোটে তার প্রভাব পরবে। এমতাবস্থায় এসব শিক্ষকদের চিহ্নিত করে তাদের নির্বাচনী দায়িত্ব না দিয়ে বরং আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

অভিযুক্ত ছাতিয়ানগড় ঝাপুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরল হক নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার বিষয়টি স্বীকার করে ঘটনাটি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এস এম এ মান্নান বলেন, নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে শিক্ষক ও কর্মচারীরা কাজ করার অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জিকরুল হক বলেন, কারো বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন কিংবা ভঙ্গ করার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।